রাজশাহীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার
দেশব্যাপী অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে রাজশাহীতে এলপিজি ডিলার ও ব্যবসায়ীরা গ্যাস বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।
বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলপিজি ডিপো ও খুচরা দোকান খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে বিক্রি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রাহকরা।
রাজশাহীতে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হয়। ফলে ধর্মঘটের কারণে রান্নাবান্না ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চরম সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন।
গরিব মহিষবাথান এলাকার আজিজুল ইসলাম বলেন, “সকালে বাসায় নাস্তার সময় গ্যাস শেষ হয়ে যায়। এরপর সিলিন্ডার নিয়ে একটি ডিপোসহ বেশ কয়েকটি খুচরা দোকানে গেছি; কিন্তু গ্যাস পাইনি। বাড়িতে রান্নার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাজার থেকে খাবার কিনে খেতে হয়েছে।”
রাজশাহী এলপিজি ডিলার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন কচি বলেন, তারা কেন্দ্রের নির্দেশ পালন করছেন। কেন্দ্র থেকে তাদের জানানো হয়েছে, দাবি মানা না হলে সারাদেশে সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি স্থগিত থাকবে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় দেশের সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশে নোটিশ জারি করেছে এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। এতে কমিশন বৃদ্ধি ও জরিমানা প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়েছে, ৮ জানুয়ারি থেকে দাবি মেনে নেওয়া না হলে দেশের সব এলপিজি বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে এবং কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকেও গ্যাস উত্তোলন স্থগিত থাকবে।