শুক্রবার ০২ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ১৯ ১৪৩২, ১৩ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ভেনেজুয়েলায় ৮৮ ভিন্নমতাবলম্বীর মুক্তি নববর্ষে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলায় ২০ জন নিহতের ঘটনায় ইউক্রেন দায়ী: রাশিয়া ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সংঘর্ষে নিহত ৬ ৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ বিএনপি আমলে র‌্যাবকে ‘রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি’, দাবি বাবরের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা কমলো আওয়ামী লীগ থেকে এসে যোগ দেন, দায়-দায়িত্ব আমাদের: জামায়াতের লতিফুর রংপুর-১: জাপা প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল এনইআইআর চালু, প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা, ভাঙচুর ২৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে চার মামলা করছে দুদক নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে কোরান ছুঁয়ে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার ই-সিগারেট, ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ২৫ ভবন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ভেনেজুয়েলায় ৮৮ ভিন্নমতাবলম্বীর মুক্তি

 প্রকাশিত: ১৩:৫২, ২ জানুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ভেনেজুয়েলায় ৮৮ ভিন্নমতাবলম্বীর মুক্তি

ভেনেজুয়েলা সরকার বৃহস্পতিবার ৮৮ জন ভিন্নমতাবলম্বীকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিকোলাস মাদুরোর জয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তারা আটক ছিলেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

২০২৪ সালের ওই নির্বাচনে বিরোধী দল নিরঙ্কুশ জয়ের দাবি করলেও মাদুরো নিজেকে তৃতীয় মেয়াদে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এর ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ চলাকালে অন্তত ২৮ জন নিহত হন এবং কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়নের মুখে অপ্রাপ্তবয়স্কসহ প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। 

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ মুক্তি পেয়েছেন।

দেশটির কারা মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার নতুন করে যে ৮৮ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তারা ‘চরমপন্থী গোষ্ঠীর সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার’ অভিযোগে কারাবন্দি ছিলেন। এর আগে দুটি মানবাধিকার সংগঠনও অন্তত ৮৭ জন বন্দির মুক্তির খবর নিশ্চিত করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর চাপের মুখে থাকা মাদুরো প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বড় কোনো মুক্তির পদক্ষেপ। গত ২৫ ডিসেম্বর ‘শান্তি ও সংলাপ ও ন্যায়বিচারের’ প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার হিসেবে ৯৯ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল সরকার।

মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক অভিযানের হুমকির মুখে পড়ে মাদুরো সম্প্রতি কিছুটা নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্প সরাসরি মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছেন। 

গত আগস্ট থেকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছেন। ক্যারিবীয় সাগরে বড় নৌবহর মোতায়েন, মাদকবাহী সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানে হামলা, তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ এবং ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এমনকি এই সপ্তাহে ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার একটি ডকিং এরিয়ায় হামলা চালিয়েছে, যা এই সামরিক অভিযানের প্রথম স্থলভিত্তিক হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর দাবি, ওই হামলাটি মারাকাইবো বন্দরের একটি কোকেন তৈরির কারখানাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়।

তবে ভেনেজুয়েলা শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে যে দেশটির বিশাল তেল সম্পদ দখল করতেই যুক্তরাষ্ট্র বামপন্থী মাদুরো সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করছে। 

গত সপ্তাহে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, মাদুরোর স্বেচ্ছায় ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোই হবে ‘বুদ্ধিমানের কাজ’।