ব্রেকিং:
আগামীকাল থেকে সাত জেলায় কঠোর লকডাউন মালয়েশিয়ায় ১০২ বাংলাদেশি আটক ভোলায় ইউপি নির্বাচনে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে ১ জন নিহত কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলমান বিধিনিষেধ আরো এক মাস বাড়ল আগামী জুলাইয়েও খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে, আটক ৪৪

মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ১১ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
৪০ মণ ওজনের ‘বীর বাহাদুর’ দেখতে জনতার ভিড় বৃষ্টিপাত কমে বাড়তে পারে তাপমাত্রা ভারতে যৌথবাহিনীর সাথে জঙ্গিগোষ্ঠীর সংঘর্ষ, নিহত ৩ রাজধানীর তিন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম আবারো কোরোনায় বাতিল হচ্ছে চার পাবলিক পরীক্ষা শত শত বাংলাদেশী লিবিয়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী কুষ্টিয়ায় সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা আজ শুরু হচ্ছে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচি ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিগগিরি স্বাধীন হবে আল-আকসা চোরাই পথে খালাস হয়ে গেল বিটুমিনের একটি জাহাজ। পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে স্লাব বসানোর কাজ সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ায় টিকা নিলেই মুরগি ফ্রি! সিঙ্গাপুরে সিনোভ্যাক টিকার ব্যাপক চাহিদা অযোধ্যার রাম মন্দির নিয়ে হিন্দু মহলে বিভক্তি
৩৭

জলবায়ুর পরিবর্তন বর্ষাকালকে বদলে দিচ্ছে

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২১  

জলবায়ুর পরিবর্তন যে বর্ষাকালকে বদলে দিচ্ছে, বিজ্ঞানীরা অনেকদিন ধরেই তা বুঝতে পারছিলেন। কম্পিউটার মডেল ব্যবহার করে করা আগের গবেষণাগুলো থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ বাড়ায় তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তাতে গরম আবহাওয়ায় বাড়তি আর্দ্রতা গ্রীষ্ম ও বর্ষাকে করে তুলেছে আরও বেশি বৃষ্টিপ্রবণ, মাঝে মাঝে হচ্ছে অতি বর্ষণ, কোনো পূর্বাভাস সেখানে টিকছে না। 

ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মোটামুটি জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বর্ষাকাল ধরা  হয়। এ সময় মৌসুমি বায়ু যে বিপুল বৃষ্টি নিয়ে আসে, তা এ অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।   

এই বৃষ্টি পৃথিবীর এক পঞ্চমাংশ মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। সময়মত বৃষ্টি যেমন ফসল উৎপাদন বাড়ায়, তেমনি আবার অসময়ের অতিবর্ষণ ফসল ধ্বংসও করে। অতিবৃষ্টি নিয়ে আসে বন্যা, কেড়ে নেয় প্রাণ, ধ্বংস করে লোকালয়, ছড়িয়ে দেয় দূষণ।

নতুন এই গবেষণা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ফল হিসেবে বর্ষার এই মেজাজ বদলে পুরো অঞ্চলের চেহারা আর ইতিহাসই বদলে যেতে পারে। 

এ গবেষণার জন্য ১০ লাখ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের তথ্য বিজ্ঞানীরা কীভাবে পেলেন? তারা কাজ করেছেন কাদা নিয়ে। প্রতি বর্ষায় পুরো ভারতবর্ষ ধুয়ে বিপুল পলি নিয়ে বৃষ্টির পানি পৌঁছায় বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরে। সাগরের ভূস্তর খনন করে বিজ্ঞানীরা সেই নমুনা সংগ্রহ করেছেন।

এ কাজে পৃষ্ঠ থেকে ২০০ মিটার গভীর পর্যন্ত মাটির নমুনা নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতি বর্ষায় জমা নতুন স্তরগুলো থেকে বৃষ্টিপাত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

যে বছর বৃষ্টি বেশি হয়, সাগরে স্বাদু পানির যোগান বাড়ে, উপরিভাগের লবণাক্ততা কমে আসে। তাতে সাগরের উপরিতলে থাকা অনেক ক্ষুদ্র ও আণুবীক্ষণিক জীবের মৃত্যু হয়, সেসব দেহাবশেষ জমা হয় মাটির স্তরের সঙ্গে। এভাবে প্রতিবছর পরতের পর পরত জমে সাগরতলের ভূস্তরে গ্রন্থিত হয় ইতিহাস। 

মাটির নমুনা সংগ্রহ করার পর বিজ্ঞানীরা সেসব মৃত প্লাঙ্কটনের ফসিল পরীক্ষা করে অক্সিজেন আইসোটোপ বিশ্লেষণ করেছেন। তাতে ওই সময়ের পানির লবণাক্ততার পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে।

দেখা গেছে, বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি, বরফ স্তর কমে আসার পর মৌসুমি বায়ুতে আর্দ্রতা বাড়তে শুরু করে এবং তারপর আসে সেই অতি বৃষ্টি আর সাগরের পানিতে লবণাক্ততা কমে আসার পর্ব।  

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের কর্মকাণ্ড বাতাসে গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ যেভাবে বাড়িয়ে চলেছে, তাতে মৌসুমি বায়ুতে সেরকম আরেকটি পরিবর্তন আসন্ন।


এই বিভাগের আরো খবর