সোমবার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১২ ১৪৩২, ০৭ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাংলাদেশের বন্ধু, সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩০ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা পাবনা-১: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপিতে যোগ দেওয়া আবু সাইয়িদ ভারতে হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি দেওয়ার প্রতিবাদ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারি ফ্যাসিবাদ কবর দেওয়ার ডাক জামায়াত আমিরের ১২ ফেব্রুয়ারি ‘চাঁদাবাজ-দখলদাররা’ পরাজিত হবে: নাহিদ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই আনিসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সেহেরি ও ইফতার: ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগের হিসাব ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ কোভিড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা ভুল: ডব্লিউএইচও প্রধান ন্যাটো বিতর্কের মাঝেও যুক্তরাজ্যের সেনাদের প্রশংসায় ট্রাম্প ভূমিধসে নিখোঁজদের খোঁজে ইন্দোনেশিয়ায় উদ্ধার তৎপরতা তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করার ঘোষণা বিসিবির আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র শিকার বাংলাদেশ: শহীদ আফ্রিদি

জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

 প্রকাশিত: ২১:০০, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সাড়ে ৬ হাজার প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি আগামী ২ মার্চ।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করে দেন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ‘সহানুভূতি’ থাকলেও আদালতে মামলা চলায় প্রশাসনিক কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ এখন নেই।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের একটি অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “আইনি কাঠামোতেই আমাদের কাজগুলো করেছি। সে হিসাবে তারা যেটা চাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। কারণ আমরা মনে করছি আমরা আইনসম্মতভাবেই করেছি।”

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে কোটায় নির্বাচিত হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল বাতিল করে হাই কোর্ট। আদালত মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ফল প্রকাশের আদেশও দেয়।

সেদিন রাত থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। তারা রাজধানীতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

তাদের টানা আন্দোলনের মুখে ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পরে আপিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে, ৩০ চাকরিপ্রার্থীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৯ নভেম্বর হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন। ফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হয়।

তারও আগে ২০২৪ সালে ২৮ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিল হাই কোর্ট।

এরপর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাই কোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। তবে এই নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গণমাধ্যমে আসা অভিযোগ অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এরপর ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।