সোমবার ২৯ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৫ ১৪৩৩

ব্রেকিং

উজানের ঢলে ফুঁসছে তিস্তা, পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে গৃহকর্মী নির্যাতন; স্ত্রীসহ মানবাধিকার কর্মীর সাত বছরের কারাদণ্ড ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা: পুলিশের ‘দোষ’ পেয়েছে তদন্ত কমিটি ১৭ বছর ধরে ‘নির্যাতিত কর্মীদের’ জন্যও বরাদ্দ চান শামা এটিএম বুথের ১৭ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে রংপুরে ধরা নিরাপত্তাকর্মী ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল, ১৫২১ জনকে মনোনয়ন আদ্-দ্বীনের ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১১৬ সিলেটের নতুন ডিসি রেজা হাসান, কুমিল্লায় রোজী আকতার কার্নিশে ঝোলা তরুণকে গুলি: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের প্রাণদণ্ড হাদি হত্যা: ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে অধিকতর প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ ভাঙ্গায় কয়েকটি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে মহাসড়ক বন্ধ, আহত অর্ধশতাধিক জর্ডানকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার তিনে তিন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াল ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না, আবারও হুমকি ট্রাম্পের

জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

 প্রকাশিত: ২১:০০, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সাড়ে ৬ হাজার প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি আগামী ২ মার্চ।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করে দেন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ‘সহানুভূতি’ থাকলেও আদালতে মামলা চলায় প্রশাসনিক কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ এখন নেই।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের একটি অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “আইনি কাঠামোতেই আমাদের কাজগুলো করেছি। সে হিসাবে তারা যেটা চাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। কারণ আমরা মনে করছি আমরা আইনসম্মতভাবেই করেছি।”

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে কোটায় নির্বাচিত হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল বাতিল করে হাই কোর্ট। আদালত মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ফল প্রকাশের আদেশও দেয়।

সেদিন রাত থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। তারা রাজধানীতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

তাদের টানা আন্দোলনের মুখে ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পরে আপিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে, ৩০ চাকরিপ্রার্থীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৯ নভেম্বর হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন। ফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হয়।

তারও আগে ২০২৪ সালে ২৮ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিল হাই কোর্ট।

এরপর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাই কোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। তবে এই নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গণমাধ্যমে আসা অভিযোগ অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এরপর ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।