বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৫ ১৪৩২, ১০ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জালিয়াতিতে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন: প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন সামনে রেখে মানবাধিকার সুরক্ষার আহ্বান অ্যামনেস্টির আরেক মামলায় এস আলম ও পি কে হালদারের বিচার শুরু হাদি হত্যা: ফয়সালের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ রুবেল ফের ৩ দিনের রিমান্ডে কূটনৈতিক সম্পর্কে অবনতি হলেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবারহ বাড়িয়েছে আদানি রোডম্যাপ অনুসারে হজের সব কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন ভারত থেকে বেনাপোলে এল ৫১০ টন চাল, কেজি ৫০ টাকা নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিক আনিস আলমগীর এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফে পাহাড়ে কাজ করতে যাওয়া ৬ কৃষক ‘অপহৃত’ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমূখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতকালীন ঝড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলার জব্দ অর্থ ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের যাত্রীবাহী ট্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ১২

জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

 প্রকাশিত: ২১:০০, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আপিল শুনানি ২ মার্চ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সাড়ে ৬ হাজার প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি আগামী ২ মার্চ।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করে দেন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ‘সহানুভূতি’ থাকলেও আদালতে মামলা চলায় প্রশাসনিক কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ এখন নেই।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের একটি অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “আইনি কাঠামোতেই আমাদের কাজগুলো করেছি। সে হিসাবে তারা যেটা চাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। কারণ আমরা মনে করছি আমরা আইনসম্মতভাবেই করেছি।”

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে কোটায় নির্বাচিত হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল বাতিল করে হাই কোর্ট। আদালত মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ফল প্রকাশের আদেশও দেয়।

সেদিন রাত থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। তারা রাজধানীতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

তাদের টানা আন্দোলনের মুখে ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পরে আপিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে, ৩০ চাকরিপ্রার্থীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৯ নভেম্বর হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন। ফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হয়।

তারও আগে ২০২৪ সালে ২৮ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিল হাই কোর্ট।

এরপর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাই কোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। তবে এই নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গণমাধ্যমে আসা অভিযোগ অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এরপর ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।