সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৬ ১৪৩২, ৩০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ হচ্ছে শাকসু নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম: ফখরুল রুমিন ফারহানাকে শোকজ, সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দাবি না মানলে নির্বাচন ভবনের ফটক অবরোধের হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু আলিফ হত্যা: চিন্ময়সহ সব আসামির বিচার শুরুর আদেশ কুর্দিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল-শারা ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে মিছিল সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ২১

লাইফস্টাইল

শীতে আলু যেসব কারণে শরীরের জন্য ক্ষতিকর

 প্রকাশিত: ১১:৪১, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

শীতে আলু যেসব কারণে শরীরের জন্য ক্ষতিকর

রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমবেশি আলু থাকেই। আলু ভর্তা থেকে সেকোনো মাছ অথবা মাংস দিয়ে তরকারির সেরা যুগলবন্দি। সেই সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা আলুর চিপস সবারই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে আলু দিয়ে তৈরি বিভিন্ন মুখরোচক এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

সারাবিশ্বেই আলু চাষ করা হয়।দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের আন্দিজ পর্বতমালার পাদদেশ থেকে প্রথম উদ্ভুত এ সবজি এখন বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৬০টি দেশে চাষ করা হয়। সব মানুষের খাবারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এটি। এর বৈজ্ঞানিক পরিচিতি ‘সোলানাম টিউবারোসাম’নামে।  

আলুর আকার, রং এবং পুষ্টি উপাদান বিবেচনায় প্রায় ১৫০০-৪০০০ বিভিন্ন জাত রয়েছে। খাদ্য হিসাবে আলু সহজপাচ্য এবং কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি বিভিন্ন খনিজ লবণ এবং ভিটামিনেও ভরপুর। একদিকে যেমন শরীরের জন্য আলু স্বাস্থ্যকর, অন্যদিকে ক্ষতিও করে।

প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকায় এটি শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। সবুজ দাগযুক্ত, অঙ্কুর বা গ্যাঁজ হওয়া আলু কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আলুতে দুই ধরনের বিষ কিন্তু প্রাকৃতিকভাবেই থাকে, এগুলো হলো সোলানাইন এবং ক্যাকোনাইন। এদেরকে গ্লাইকো-অ্যালকালয়েড বলা হয়। গ্লাইকোসাইডিক লিগ্যান্ড হিসাবে সোলানিডিনের সমন্বয়ে গঠিত সোলানাইন এবং ক্যাকোনাইন হলো ছয়টি বিভিন্ন গ্লাইকো-অ্যালকালয়েড।

সম্পূর্ণ আলু গাছেই এরকম নাইট্রোজেনঘটিত গ্লাইকো-অ্যালকালয়েডের উপস্থিতি খুঁজে পাওয়া যায়। তবে গাছের পাতা, ফুল, কাণ্ড ও আলুর চোখ, গ্যাঁজ কিংবা খোসায় গ্লাইকো-অ্যালকালয়েডের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই আলু গাছের কাণ্ড কিংবা পাতা খাওয়া উচিত নয়।

অতিরিক্ত পরিমাণে সবুজ ও গ্যাঁজ হওয়া আলু খেলে পেট ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, জ্বর, মাথাব্যথা, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। গ্লাইকো-অ্যালকালয়েড তাপে বিনষ্ট হয় না, তাই আলু রান্নার পূর্বে খোসা ছাড়িয়ে সবুজ অংশ ফেলে রান্না করা উচিত।

অনেকেই আছেন একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ আলু কিনে সংরক্ষণ করে রাখেন। এতে করে দীর্ঘদিনের সংরক্ষণজনিত কারণে বেশ কিছু পরিমাণ আলু পচন ধরে নষ্ট হয়ে যায়। এরকম আলুতেও গ্লাইকো-অ্যালকালয়েডের পরিমাণ বেশ বৃদ্ধি পায়। তাই মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ আলু একসঙ্গে সংরক্ষণ করা থেকেও বিরত থাকুন। 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল