আইসিসি সভায় ভোটের রায় বাংলাদেশের বিপক্ষে
বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যায়, তাহলে বদলি হিসেবে অন্য কোনো দেশকে সুযোগ দেওয়া হবে। আইসিসি সভায় ভোটাভুটিতে এই রায় দিয়েছে বোর্ড সদস্যরা।
ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আর একটি দিন সময় দেওয়া হয়েছে বিসিবিকে।
বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু সরিয়ে নিতে বিসিবির অনুরোধ বুধবার খারিজ হয়ে যায় আইসিসি বোর্ড সদস্যদের ভোটে। নিজেদের বাইরে স্রেফ আর একটি ভোট বাংলাদেশের পক্ষে গেছে বলে জানা গেছে।
বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু এখনও জানানো হয়নি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জিজ্ঞাসায় সাড়া দেননি বোর্ড পরিচালকদের কয়েকজন।
বিসিবি ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অনেকবারই বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কোনোভাবেই ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। আইসিসির পক্ষ থেকে এক দিন সময় বেঁধে দিলেও মোটামুটি নিশ্চিত করেই বলা যায়, বাংলাদেশকে ছাড়াই হতে যাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ।
বাংলাদেশ না গেলে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারে স্কটল্যান্ড।
আইসিসি বোর্ডের এই অনলাইন সভায় যোগ দেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ভারতীয় বোর্ডের সচিব দেবাজিৎ সাইকিয়াসহ টেস্ট খেলুড়ে সব দেশের প্রতিনিধি, সহযোগী দেশগুলোর দুই প্রতিনিধি, আইসিসির প্রধান নির্বাহী সাঞ্জোগ গুপ্তা, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাওয়াজা ও আইসিসির মহাব্যবস্থাপক (ইভেন্টস) গৌরাভ সাক্সেনা। এছাড়া ছিলেন আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। গত শনিবার ঢাকায় এসে আইসিসির প্রতিনিধি হিসেবে বিসিবির সঙ্গে সভা করে গিয়েছিলেন তিনি।
ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়া থেকেই সবকিছুর সূত্রপাত। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারকে বাদ দেওয়ার পরদিনই বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতের বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না তারা। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়।
এরপর দুই দফায় সভা হয়েছে আইসিসি ও বিসিবির। তাতে কোনো সমাধান আসেনি। দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বারবার। বিসিবি দফায় দফায় তুলে ধরেছে নিজেদের নিরাপত্তা শঙ্কার ব্যাপারটি। আইসিসিও প্রতিবারই বলেছে, কোনো দলের প্রতি সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা ঝুঁকি নেই।