বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৮ ১৪৩২, ০২ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে দুর্যোগ, তবে প্রাণহানি কম দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ২৩ বছরের কারাদণ্ড ‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরুর আদেশ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির আসামি আবুল কালাম আযাদ কর্মী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে দায় প্রার্থীদের এক দিনেই ৭ নির্বাচনি সমাবেশে আসছেন তারেক বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামানের প্রার্থিতা প্রত্যাহার ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিতে চিঠি পিসিবির ২২ বছর পর তারেকের সিলেট সফর ঘিরে উচ্ছ্বাস, সেজেছে নগরী সংসদ নির্বাচন: প্রচারে নামার আগে মার্কা নিচ্ছেন প্রার্থীরা ‘ছোট’ প্রযুক্তিগত সমস্যা: ট্রাম্পের দাভোসগামী বিমান ফিরে গেল মার্কিন ঘাঁটিতে টবি ক্যাডম্যান আর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের সঙ্গে নেই

জাতীয়

‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরুর আদেশ

 প্রকাশিত: ১৪:০১, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরুর আদেশ

চব্বিশের অভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ বুধবার জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য শুরুর জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেয়।

গ্রেপ্তার পলককে এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। জয়কে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলবে।

পলকের পক্ষে আদালতে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। জয়ের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।

গেল ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওই দিন তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তিনি।

এ মামলায় তিনটি অভিযোগ হল-জয়ের ‘নির্দেশে’ ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেইসবুকে ‘উসকানি’ দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ‘সশস্ত্র বাহিনী’। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে ‘মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা’ দেন এ দুই আসামি।

আসামিরা একইসঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন।

তিন নম্বর অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা উত্তরায় ৩৪ হত্যায় ‘সহায়তা’ করেন।

এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় আদালত।

চব্বিশের অভ্যুত্থানের সময় ঘটা ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ বিচারের জন্য পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আসে গত বছরের ১৭ নভেম্বর।

সেই রায়ে জয়ের মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।