শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৯ ১৪৩২, ০৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

কেবল বিএনপি পালায় না: তারেক রহমান ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ লাগবে না তো: নাহিদ চাঁদা নেব না, নিতেও দেব না: শফিকুর রহমান ভোট চুরির প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে: তারেক রহমান ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকেও বদল নেই সিদ্ধান্তে নির্বাচন ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা চার দিনের ছুটি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিচার শুরুর আদেশ হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন, ‘সম্ভবত তাই’ উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে: তারেক রহমান নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম রিমান্ড শেষে কারাগারে আবেদ আলী নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের বোঝা ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ইয়েমেনে সরকারপন্থী বহরে হামলা, নিহত ৫ ভোটে ৫১ দল: ধানের শীষের ২৮৮ প্রার্থী, দাঁড়িপাল্লার ২২৪ যুক্তরাষ্ট্র ‘বিস্ময়কর অর্থনৈতিক অগ্রগতির’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: ট্রাম্প

সংস্কৃতি

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

 প্রকাশিত: ০৭:৩৫, ৩ মে ২০২০

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ। আধুনিক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান এই কবি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইল গ্রামের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। দেশ, দেশের মানুষ, রাজনীতি যেমন উঠে এসেছে তার সৃষ্টিতে; তেমনই এসেছে প্রেম-দ্রোহ, হাসি-কান্না, পাওয়া-না পাওয়ার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ গাঁথা। প্রচলিত পথে না হেঁটে তিনি হেঁটেছেন নিজের গড়া পথে; কিন্তু বাংলা সাহিত্যকে ঠিকই ভালো বেসেছেন হৃদয় উৎসারিত গভীর মমতায়, যা তার সৃষ্টিতে উঠে এসেছে স্বকীয় মুন্সিয়ানায়।


লেখালেখি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আল মাহমুদ ১৯৫৪ সালে ঢাকায় আসেন; চাকরি নেন দৈনিক মিল্লাতে। ১৯৫৫ সালে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকায় কবির কবিতা ছাপা হলে বাংলা সাহিত্যপ্রেমী ও বোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। ১৯৬৩ সালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে প্রুফ রিডার হিসেবে যোগ দেন। একই বছর প্রকাশ হয় আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তরে’।

১৯৬৮ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭২ সালে ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকা বের হয়, তিনি এর সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালি কাবিন’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমির সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এর পরই প্রকাশ হয় তার গল্পগ্রন্থ ‘পানকৌড়ির রক্ত’। কবিতার জন্য ১৯৮৪ সালে কলকাতা থেকে কাফেলা সাহিত্য পুরস্কার এবং ছোটগল্পের জন্য বাংলাদেশে হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৮৬ সালে তার স্বীকৃতির পালকে যোগ হয় একুশে পদক। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল