বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৩০ ১৪৩২, ২৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শঙ্কামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে ‘সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’: প্রধান উপদেষ্টা উৎস ও ব্যবহারের খাত বৈধ হলে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি ভোটকেন্দ্রে যারা নাশকতা করতে আসবে, ঝুঁকি তাদেরই: র‍্যাব ডিজি ভোটে টাকা লেনদেনের তথ্য পেলে ‘ব্যবস্থা নেবে’ র‍্যাব কুমিল্লায় ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার ব্যাগে মিলল ৭৪ লাখ টাকা: পুলিশ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে ইসি অবিচল: সিইসি ভোটে টাকার লেনদেন বন্ধে মোবাইল ব্যাংকিং সীমিত, ভোগান্তি টাকা থাকলেই ধরবে কেন, প্রশ্ন জামায়াতের ‘টাকার ব্যাগ’সহ আটক জামায়াত নেতা অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট ভোটের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ১০ ইউরোপের প্রতি কৌশলগত খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান মাখোঁর

সংস্কৃতি

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

 প্রকাশিত: ০৭:৩৫, ৩ মে ২০২০

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ। আধুনিক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান এই কবি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইল গ্রামের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। দেশ, দেশের মানুষ, রাজনীতি যেমন উঠে এসেছে তার সৃষ্টিতে; তেমনই এসেছে প্রেম-দ্রোহ, হাসি-কান্না, পাওয়া-না পাওয়ার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ গাঁথা। প্রচলিত পথে না হেঁটে তিনি হেঁটেছেন নিজের গড়া পথে; কিন্তু বাংলা সাহিত্যকে ঠিকই ভালো বেসেছেন হৃদয় উৎসারিত গভীর মমতায়, যা তার সৃষ্টিতে উঠে এসেছে স্বকীয় মুন্সিয়ানায়।


লেখালেখি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আল মাহমুদ ১৯৫৪ সালে ঢাকায় আসেন; চাকরি নেন দৈনিক মিল্লাতে। ১৯৫৫ সালে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকায় কবির কবিতা ছাপা হলে বাংলা সাহিত্যপ্রেমী ও বোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। ১৯৬৩ সালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে প্রুফ রিডার হিসেবে যোগ দেন। একই বছর প্রকাশ হয় আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তরে’।

১৯৬৮ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭২ সালে ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকা বের হয়, তিনি এর সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালি কাবিন’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমির সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এর পরই প্রকাশ হয় তার গল্পগ্রন্থ ‘পানকৌড়ির রক্ত’। কবিতার জন্য ১৯৮৪ সালে কলকাতা থেকে কাফেলা সাহিত্য পুরস্কার এবং ছোটগল্পের জন্য বাংলাদেশে হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৮৬ সালে তার স্বীকৃতির পালকে যোগ হয় একুশে পদক। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল