শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৭ ১৪৩২, ১১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই: তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশ স্থগিত বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া: পশ্চিমবঙ্গকে জমি ছাড়ার আদেশ আদালতের শেরপুরের ঘটনায় ওসি-ইউএনও প্রত্যাহার আমের জন্য হিমাগার হবে: রাজশাহীতে তারেক আগে একাত্তর নিয়ে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল তারা কেন আগে থেকেই লাঠিসোঁটা জড়ো করল: শেরপুরের সংঘাত নিয়ে বিএনপি হাদি হত্যা: ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নির্বাচন: রিটার্ন জমার সময় বাড়ল আরও এক মাস শেরপুরের ঘটনায় উদ্বেগ, সংযমের আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকারের শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু: থমথমে ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী জামায়াতের আমিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান: প্রধান উপদেষ্টা ভোটের পোস্টার মুদ্রণ নয়: ছাপাখানাকে ইসি সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, ভরিতে বাড়ল ১৬ হাজার

সংস্কৃতি

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

 প্রকাশিত: ০৭:৩৫, ৩ মে ২০২০

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ

কবি আল মাহমুদের ৮৪তম জন্মদিন আজ। আধুনিক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান এই কবি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইল গ্রামের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। দেশ, দেশের মানুষ, রাজনীতি যেমন উঠে এসেছে তার সৃষ্টিতে; তেমনই এসেছে প্রেম-দ্রোহ, হাসি-কান্না, পাওয়া-না পাওয়ার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ গাঁথা। প্রচলিত পথে না হেঁটে তিনি হেঁটেছেন নিজের গড়া পথে; কিন্তু বাংলা সাহিত্যকে ঠিকই ভালো বেসেছেন হৃদয় উৎসারিত গভীর মমতায়, যা তার সৃষ্টিতে উঠে এসেছে স্বকীয় মুন্সিয়ানায়।


লেখালেখি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আল মাহমুদ ১৯৫৪ সালে ঢাকায় আসেন; চাকরি নেন দৈনিক মিল্লাতে। ১৯৫৫ সালে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকায় কবির কবিতা ছাপা হলে বাংলা সাহিত্যপ্রেমী ও বোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। ১৯৬৩ সালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে প্রুফ রিডার হিসেবে যোগ দেন। একই বছর প্রকাশ হয় আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তরে’।

১৯৬৮ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭২ সালে ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকা বের হয়, তিনি এর সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালি কাবিন’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমির সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এর পরই প্রকাশ হয় তার গল্পগ্রন্থ ‘পানকৌড়ির রক্ত’। কবিতার জন্য ১৯৮৪ সালে কলকাতা থেকে কাফেলা সাহিত্য পুরস্কার এবং ছোটগল্পের জন্য বাংলাদেশে হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৮৬ সালে তার স্বীকৃতির পালকে যোগ হয় একুশে পদক। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল