নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কর্মকাণ্ড সমন্বয় করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনী, দপ্তর, সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার সকালে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ ও গণভোট সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার আগে পরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেছেন।
নির্বাচনের আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিপত্রও জারি করেছে।
ভোটের মাঠে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবধৈ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর প্রার্থিতা চূড়ান্তের প্রক্রিয়ার মধ্যে এবার আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয়ে সভা করা হল।
ইসির সম্মেলন কক্ষে এ সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ ১৬ বিভাগ ও সংস্থার ফোকাল পয়েন্ট/প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইসি সচিব আখতার আহমেদও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সমন্বয় কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকার বিষয় তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় অংশ নেওয়া একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, “মিটিংটা খুব ছোট; কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। ভোট সামনে রেখে বিভিন্ন জায়গায় যেসব সেল, অর্থাৎ নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন কমিটি, সেগুলো ঠিক মত কাজ করছে না।
“সেগুলো যেন ভালোভাবে কাজ করে, সেটা আমাদের বলা হয়েছে। আমাদের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে জানানো এবং নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা- এটাই এ বৈঠকের মূল বিষয়।”
সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ বৈঠক হয়। তবে বৈঠকের পর সার্বিক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হয়নি।
এরপর নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে অংশ নেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
দ্বিতীয় দিনের শুনানি শুরু
রোববার দ্বিতীয় দিনের মত নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এবার আড়াই হাজার প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন, বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে প্রায় দুই হাজার মনোনয়নপত্র।
আর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে।
শনিবার শুরু হওয়া আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার শুনানিতে উপস্থিত রয়েছেন।