শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৪ ১৪৩২, ১৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে দম্পতি নিহত সামরিক যোগাযোগ পুনরায় শুরুতে সম্মত রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ১৮ বছর পর ফের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও বলিভিয়া ওমানে আলোচনার প্রস্তুতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মবিরতি দুদিন স্থগিত শফিক রেহমান-ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল রোজায় অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে ২ শিশুসহ এক পরিবারের ৪ জনের লাশ পোস্টাল ভোটের ফল আগেভাগে জানার সুযোগ নেই: ইসি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা শুক্রবার এরদোয়ান-সিসি বৈঠক : অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর জুলাই হত্যা: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোয় শাহবাজ শরীফকে আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ আন্দোলনের সঙ্গীরাই এখন আমার ওপর মিসাইল ছুড়ছে: জামায়াত আমির তিন লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে আধিপত্য বিস্তার: সিলেটে মহাসড়ক আটকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ অনিশ্চয়তা কাটল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘বৈঠক হচ্ছেই’, আলোচ্যসূচিতে মতভেদ আর্টেমিস ২: চাঁদে মানুষের যাত্রা পিছিয়ে গেল মার্চে বাংলাদেশের অটল অবস্থান ভালো লেগেছে নাসের হুসেইনের

লাইফস্টাইল

কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলবেন?

 প্রকাশিত: ১৯:১৪, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলবেন?

শরীর সুস্থ রাখতে খাবারের তালিকায় নানা ধরনের খাবার ও মৌসুমি ফল রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখা দরকার, ফলের মধ্যে সব কিছু সবার জন্য উপকারী নয়।

অনেকের ধারণা, ফল খাওয়া মানেই ভালো। এতে কোনো সন্দেহ নেই, তবে সবার জন্য সব ফল সমান উপকারী নয়। প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা ভিন্ন, আর তাই রোগ অনুযায়ী ফল নির্বাচন করতে হয়।

যেমন, কারো অম্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে, আবার কারো রক্তে শর্করা বেশি। তাই সঠিক ফল খাওয়ার জন্য রোগ অনুযায়ী বাছাই করা জরুরি। কিছু ফল এমন থাকে, যা না জানিয়ে খেলে শারীরিক সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলা উচিত:

ডায়াবেটিস:

যদি রক্তে শর্করা অস্থির থাকে এবং নিয়মিত ইনসুলিন নিতে হয়, তবে কলা ও আঙুর জাতীয় ফল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায়, রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। তবে পরিমিত পরিমাণে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়া যেতে পারে।

কিডনি রোগ:

কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে বেশি পটাশিয়ামযুক্ত খাবার বা ফল খাওয়া যাবে না। তাই কলা, কমলালেবু, খেজুর, আখরোট এবং কিশমিশ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত, কারণ এগুলো রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

গাঁটে ব্যথা:

বাতের ব্যথা বা হাঁটুর ব্যথায় ভুগলে টমেটো, বেগুন এবং অন্যান্য রাতের শাকসবজি এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার প্রদাহ বাড়াতে পারে, যার ফলে ব্যথা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

পেটের সমস্যা (গ্যাস, অম্বল):

যদি গ্যাস, অম্বল বা গলা-বুক জ্বালার সমস্যা থাকে, তবে আপেল, তরমুজ, চেরি জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। এগুলোর ফ্রুক্টোজ ও স্যারবিটলের পরিমাণ বেশি, যা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এছাড়া আপেলে ফাইবার বেশি থাকায় এটি বদহজমের কারণ হতে পারে।

ত্বকের সমস্যা:

যদি ত্বকে কোনো রোগ যেমন চুলকানি, একজিমা বা সোরিয়াসিস থাকে, তবে আম, আনারস ও কমলালেবু জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। এসব ফলে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়তে পারে।

উচ্চ কোলেস্টেরল:

যদি রক্তে কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেশি থাকে, তবে নারকেল ও লেবুজাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) থাকলে এগুলি মাইগ্রেনের সমস্যা আরও বাড়াতে পারে।