শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৪ ১৪৩২, ১৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে দম্পতি নিহত সামরিক যোগাযোগ পুনরায় শুরুতে সম্মত রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ১৮ বছর পর ফের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও বলিভিয়া ওমানে আলোচনার প্রস্তুতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মবিরতি দুদিন স্থগিত শফিক রেহমান-ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল রোজায় অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে ২ শিশুসহ এক পরিবারের ৪ জনের লাশ পোস্টাল ভোটের ফল আগেভাগে জানার সুযোগ নেই: ইসি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা শুক্রবার এরদোয়ান-সিসি বৈঠক : অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর জুলাই হত্যা: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোয় শাহবাজ শরীফকে আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ আন্দোলনের সঙ্গীরাই এখন আমার ওপর মিসাইল ছুড়ছে: জামায়াত আমির তিন লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে আধিপত্য বিস্তার: সিলেটে মহাসড়ক আটকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ অনিশ্চয়তা কাটল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘বৈঠক হচ্ছেই’, আলোচ্যসূচিতে মতভেদ আর্টেমিস ২: চাঁদে মানুষের যাত্রা পিছিয়ে গেল মার্চে বাংলাদেশের অটল অবস্থান ভালো লেগেছে নাসের হুসেইনের

ইসলাম

অজুর দোয়া না পড়লে কি অজু হবে?

 প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অজুর দোয়া না পড়লে কি অজু হবে?

: তাড়াহুড়ার কারণে অজুর শুরু ও শেষে বিসমিল্লাহ ও অন্যান্য দোয়া না পড়লে কি অজু হবে?

উত্তর: অজুর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’, মাঝে ও শেষে হাদিসে বর্ণিত অজুর দোয়াগুলো পড়া সুন্নত ও সওয়াবের কাজ, কিন্তু ওয়াজিব বা ফরজ নয়। তাই অজুর সময় ‘বিসমিল্লাহ’সহ কোনো দোয়া না পড়লেও অজুর ফরজগুলো আদায় করলে অজু হয়ে যাবে।

অজুর ফরজ কাজ ৪টি:

১. পুরো চেহারা ধোয়া
২. উভয় হাত কনুইসহ ধোয়া
৩. মাথা মাসাহ করা
৪. উভয় পা টাখনু পর্যন্ত ধোয়া।
অজুর এ চারটি ফরজের কথা কোরআনে এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাজের জন্য উঠবে, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসাহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)। (সুরা মায়েদা: ৬)

অজুর দোয়া
আল্লাহর রাসুল (সা.) অজুর শুরুতে, মাঝে ও শেষে দোয়া পড়তেন। আমরা এখানে ৩টি দোয়া উল্লেখ করছি যেগুলো রাসুল (সা.) অজু করার সময় পড়তেন:

১. অজুর শুরুতে আল্লাহর রাসুল (সা.) ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পড়তেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে অজুর শুরুতে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না, তার অজু পূর্ণ হয় না। (সুনানে আবু দাউদ)

২. অজুর করার সময় বা অজু শেষে রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়তেন:

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي ذَنْبِي وَوَسِّعِ لي فِي داري وَبارِكْ لي في رِزْقِي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা-গফিরলী যামবী ওয়া ওয়াসসি’ লী ফী দারী ওয়া বারিক লী ফী রিযক্বী।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার অপরাধ ক্ষমা করুন, আমার ঘর প্রশস্ত করুন এবং আমার রিজিকে বরকত দান করুন। (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ লিন-নাসাঈ)

৩. অজু শেষে আল্লাহর রাসুল (সা.) পড়তেন,

أَشهَدُ أَنْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ

উচ্চারণ: আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসূলুহু আল্লাহুম্মা-জআলনি মিনাত-তাওয়াবিনা ওয়াজ-আলনি মিনাল-মুতাতাহহিরিন।

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই; তিনি একক, তার কোন শরিক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রাসুল। হে আল্লাহ আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা হাসিলকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন।

ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পরিপূর্ণরূপে ওজু করে যে ব্যক্তি এ দোয়া পড়বে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে, সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সুনানে তিরমিজি)