প্রাথমিকের ‘আটকে যাওয়া’ বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ১৫ এপ্রিল
আইনি জটিলতায় 'আটকে যাওয়া' গেল বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ এপ্রিল; এদিন ৬১ জেলায় এ পরীক্ষা শুরু হবে।
পার্বত্য তিন জেলা-বান্দরবান, খাগরাছড়ি ও রাঙামাটিতে এ পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ এপ্রিল।
বুধবার এ পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
প্রথম দিন ১৫ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৬১ জেলায় বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল শুক্রবার প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল শনিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা চলবে।
অন্যদিকে, রাঙামাটি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১৭ এপ্রিল শুক্রবার প্রাথমিক গণিত পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ১৮ এপ্রিল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা। এরপর ১৯ এপ্রিল রোববার বাংলা এবং ২০ এপ্রিল সোমবার ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলায় পরীক্ষা শেষ হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।
গত ৫ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে পরীক্ষা সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জুনিয়র, দাখিল ও এবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইনি জটিলতায় 'আটকে যাওয়া' গত বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছিলেন, এই বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেনগুলোর শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন এবং কিন্ডারগার্টেনসহ বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা পাবেন ২০ শতাংশ।
শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, গত বছর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ছিল। বেসরকারি (কিন্ডারগার্টেন) শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত না করায় বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
আদালতের নির্দেশনা ও সমঅধিকারের সাংবিধানিক নীতির আলোকে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে