সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২২ ১৪৩২, ১৬ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

দেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত রয়েছে: ফখরুল গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ‘নাক গলায়’: গুম কমিশন প্রধান টানা দুই মাস ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির পারদ যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫ শতাংশ বাংলাদেশি পরিবার সরকারি সহায়তা নেয় ভেনেজুয়েলার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ গণঅভ্যুত্থানের পর পাওয়া সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান তারেক রহমানের রংপুরে ছিনতাইয়ের অভিযোগে নারীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ চাঁদাবাজির মামলায় ‘জুলাই যোদ্ধা’ সুরভী ২ দিনের রিমান্ডে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছাল মোহাম্মদপুরে গয়নার দোকান থেকে ৭০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০০ ভরি রুপা চুরি হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট ৭ জানুয়ারি আনিসুল হকের সাড়ে চার কোটি টাকার গাড়িসহ ৫৮৪ শতাংশ জমি জব্দ ভেনেজুয়েলায় আরও হামলা হতে পারে: ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় নৌকা ডুবে নিহত ২৬ আমাদের প্রেসিডেন্টকে মুক্তি দিন’, বিক্ষোভে মাদুরো সমর্থকদের দাবি

অর্থনীতি

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

 প্রকাশিত: ১২:২৮, ৯ এপ্রিল ২০২৫

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১০৪ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুসারে নতুন শুল্কহার আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে।

শুল্ক বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। ২ এপ্রিল ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, এরপর ৩৪ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৫৪ শতাংশ করা হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন এবং শুল্ক আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন।

চীন ৪ এপ্রিল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। ট্রাম্প তখন হুঁশিয়ারি দেন, চীন যদি ৮ এপ্রিলের মধ্যে শুল্ক প্রত্যাহার না করে, তাহলে ৯ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।

চীনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না আসায়, ট্রাম্প ১০৪ শতাংশ চূড়ান্ত শুল্ক কার্যকর করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি চীনকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোষক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক লাভবান হচ্ছে—বিশেষ করে তেল, সুদের হার ও খাদ্যদ্রব্যের দাম কমায় দেশটিতে মূল্যস্ফীতি নেই বললেই চলে।

চীন এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে জানায়, এটি একটি প্রতারণামূলক কৌশল এবং চীন কখনোই তা মেনে নেবে না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের এই শুল্ক যুদ্ধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটাবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।