সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৬ ১৪৩২, ৩০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ হচ্ছে শাকসু নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম: ফখরুল রুমিন ফারহানাকে শোকজ, সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দাবি না মানলে নির্বাচন ভবনের ফটক অবরোধের হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু আলিফ হত্যা: চিন্ময়সহ সব আসামির বিচার শুরুর আদেশ কুর্দিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল-শারা ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে মিছিল সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ২১

অর্থনীতি

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

 প্রকাশিত: ১২:২৮, ৯ এপ্রিল ২০২৫

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১০৪ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুসারে নতুন শুল্কহার আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে।

শুল্ক বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। ২ এপ্রিল ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, এরপর ৩৪ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৫৪ শতাংশ করা হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন এবং শুল্ক আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন।

চীন ৪ এপ্রিল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। ট্রাম্প তখন হুঁশিয়ারি দেন, চীন যদি ৮ এপ্রিলের মধ্যে শুল্ক প্রত্যাহার না করে, তাহলে ৯ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।

চীনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না আসায়, ট্রাম্প ১০৪ শতাংশ চূড়ান্ত শুল্ক কার্যকর করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি চীনকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোষক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক লাভবান হচ্ছে—বিশেষ করে তেল, সুদের হার ও খাদ্যদ্রব্যের দাম কমায় দেশটিতে মূল্যস্ফীতি নেই বললেই চলে।

চীন এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে জানায়, এটি একটি প্রতারণামূলক কৌশল এবং চীন কখনোই তা মেনে নেবে না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের এই শুল্ক যুদ্ধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটাবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।