শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৯ ১৪৩২, ০৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন কিম জং উন এআই নিয়ে যৌথ অবস্থান ঘোষণা করবেন বিশ্বনেতারা ভেনেজুয়েলা পার্লামেন্টে সর্বসম্মতভাবে সাধারণ ক্ষমা আইন পাস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারি দল সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ বিদ্রোহের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের যাবজ্জীবন সচিবালয়েই অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু: তথ্যমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক হবে: সহকারী হাই কমিশনার আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ মিত্রদের সঙ্গে এআইয়ের ‘নিয়মের কাঠামো’ গড়তে বদ্ধপরিকর মাখোঁ ভারতে এআই সম্মেলনে ভাষণ বাতিল করলেন বিল গেটস শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে নতুন কোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানালেন ল্যাভরভ

অর্থনীতি

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

 প্রকাশিত: ১২:২৮, ৯ এপ্রিল ২০২৫

ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: চীনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১০৪ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুসারে নতুন শুল্কহার আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে।

শুল্ক বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। ২ এপ্রিল ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, এরপর ৩৪ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৫৪ শতাংশ করা হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন এবং শুল্ক আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন।

চীন ৪ এপ্রিল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। ট্রাম্প তখন হুঁশিয়ারি দেন, চীন যদি ৮ এপ্রিলের মধ্যে শুল্ক প্রত্যাহার না করে, তাহলে ৯ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।

চীনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না আসায়, ট্রাম্প ১০৪ শতাংশ চূড়ান্ত শুল্ক কার্যকর করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি চীনকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোষক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক লাভবান হচ্ছে—বিশেষ করে তেল, সুদের হার ও খাদ্যদ্রব্যের দাম কমায় দেশটিতে মূল্যস্ফীতি নেই বললেই চলে।

চীন এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে জানায়, এটি একটি প্রতারণামূলক কৌশল এবং চীন কখনোই তা মেনে নেবে না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের এই শুল্ক যুদ্ধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটাবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।