সোমবার ২৯ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৫ ১৪৩৩

ব্রেকিং

উজানের ঢলে ফুঁসছে তিস্তা, পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে গৃহকর্মী নির্যাতন; স্ত্রীসহ মানবাধিকার কর্মীর সাত বছরের কারাদণ্ড ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা: পুলিশের ‘দোষ’ পেয়েছে তদন্ত কমিটি ১৭ বছর ধরে ‘নির্যাতিত কর্মীদের’ জন্যও বরাদ্দ চান শামা এটিএম বুথের ১৭ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে রংপুরে ধরা নিরাপত্তাকর্মী ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল, ১৫২১ জনকে মনোনয়ন আদ্-দ্বীনের ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১১৬ সিলেটের নতুন ডিসি রেজা হাসান, কুমিল্লায় রোজী আকতার কার্নিশে ঝোলা তরুণকে গুলি: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের প্রাণদণ্ড হাদি হত্যা: ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে অধিকতর প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ ভাঙ্গায় কয়েকটি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে মহাসড়ক বন্ধ, আহত অর্ধশতাধিক জর্ডানকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার তিনে তিন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াল ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না, আবারও হুমকি ট্রাম্পের

জাতীয়

তিস্তার পানি কমলেও কমছে না ভাঙন

 প্রকাশিত: ০৭:৫২, ২৯ জুন ২০২৬

তিস্তার পানি কমলেও কমছে না ভাঙন

নিজস্ব প্রতিবেদক-

তিস্তা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। পানি হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে নদীতীরবর্তী বসতভিটা,ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি মৌজাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার তাদের বসতবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি, গাছপালা ও বিভিন্ন স্থাপনা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পানি কমতে শুরু করলেও নদীর তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে বহু কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়েছে। যে কোনো সময় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীর রক্ষায় চলমান কাজের কিছু স্থানে ত্রুটি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে ধীরগতির কারণেই ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধমূলক কাজ পরিচালনা এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান কালবেলাকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলমান। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।