বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৯ ১৪৩২, ২৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শঙ্কামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে ‘সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’: প্রধান উপদেষ্টা উৎস ও ব্যবহারের খাত বৈধ হলে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি ভোটকেন্দ্রে যারা নাশকতা করতে আসবে, ঝুঁকি তাদেরই: র‍্যাব ডিজি ভোটে টাকা লেনদেনের তথ্য পেলে ‘ব্যবস্থা নেবে’ র‍্যাব কুমিল্লায় ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার ব্যাগে মিলল ৭৪ লাখ টাকা: পুলিশ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে ইসি অবিচল: সিইসি ভোটে টাকার লেনদেন বন্ধে মোবাইল ব্যাংকিং সীমিত, ভোগান্তি টাকা থাকলেই ধরবে কেন, প্রশ্ন জামায়াতের ‘টাকার ব্যাগ’সহ আটক জামায়াত নেতা অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট ভোটের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ১০ ইউরোপের প্রতি কৌশলগত খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান মাখোঁর

জাতীয়

দুর্নীতির মামলায় আপিলেও খালাস গিয়াস উদ্দিন মামুন

 প্রকাশিত: ১৪:৩২, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

দুর্নীতির মামলায় আপিলেও খালাস গিয়াস উদ্দিন মামুন

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে হাই কোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

এ বিষয়ে মামুনের আবেদন মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

মামুনের আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘এক-এগারোর’ পর জরুরি অবস্থার সময় এ মামলা দায়ের করা হয়। বিচারিক আদালত মামুনকে ১০ বছরের সাজা দেয়। পরে হাই কোর্ট খালাস দেয়। এর বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করে।

“আপিল বিভাগ মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাই কোর্টে পাঠায়। পুনরায় শুনানির আদেশের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন মামুন রিভিউ করেন। সেই রিভিউ আদালত মঞ্জুর করে; এরপর তার রিভিউ আবেদন আপিলে রূপান্তর হয়। আজ সেই আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে হাই কোর্টের খালাসের রায় বহাল থাকল।”

দুদকের নোটিসের পরও সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় ২০০৭ সালের ৮ মে ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

মামলায় মামুনের বিরুদ্ধে ১০১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ মার্চ জজ আদালত মামুনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করলে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ ২০১২ সালের ৩০ জুলাই মামুনকে খালাস দেয়।

হাই কোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে পরে লিভ টু আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর হাই কোর্টের খালাসের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাই কোর্টে পুনরায় আপিল শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগের ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আপিল বিভাগ তার রিভিউ মঞ্জুর করলে তিনি আপিল করেন, যা বৃহস্পতিবার মঞ্জুর করা হল।