রোববার ১১ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৮ ১৪৩২, ২২ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন: দুদক চেয়ারম্যান হাটহাজারীতে ‘ছুরিকাঘাতে’ মাইক্রোবাস চালক নিহত কর ফাঁকির মামলায় বিএনপি নেতা দুলু খালাস আমেরিকানদের অবিলম্বে ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এআই খেলনা বিতর্ক: নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ফেরার চ্যালেঞ্জ ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেই ইরানে নতুন করে বিক্ষোভ হলফনামা: প্রবাসী স্বজন ও গণচাঁদায় মনীষার ভোট শামা ওবায়েদের আয় কমলেও সম্পদ বেড়েছে নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা আপিলের দ্বিতীয় দিনে শুনানি নিচ্ছে ইসি সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি, বাংলাদেশের প্রত্যাখ্যান-নিন্দা বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে ঢাকা সিরিয়ায় আইএসের লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক’ হামলা

ইসলাম

৪২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ওমরাহ করালো কাতার

 প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

৪২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ওমরাহ করালো কাতার

কাতারের ওয়াক্ফ ও ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪২ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ওমরাহ করিয়েছে। এই শিক্ষার্থীরা বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে কাতারে লেখাপড়া করতে এসেছেন। লেখাপড়ায় বিশেষ কৃতিত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের ওমরাহ করানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গত ২৮ ডিসেম্বর ২৫ ওমরাহতে যান এবং ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ফিরে আসেন।

ওমরাহর সফরে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে ছিল গাম্বিয়া, সেনেগাল, মৌরিতানিয়া, বেনিন, সোমালিয়া, বুরকিনা ফাসো, তিউনিশিয়া ও কমোরোস। আর এশিয়ার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পাশাপাশি গ্রেট ব্রিটেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরাও এই সফরে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

শিক্ষা ও প্রশাসন বিভাগের সাতজন তত্ত্বাবধায়কের দিকনির্দেশনায় ওমরাহ সফর পরিচালিত হয়। সফরের সূচনা হয় মদিনা মুনাওয়ারা থেকে। সেখানে শিক্ষার্থীরা মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় করেন এবং কুবা মসজিদ ও উহুদ শহীদদের কবরস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন, যাতে তারা নবী (সা.)-এর জীবনী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। মদিনায় অবস্থান শেষে শিক্ষার্থীরা মক্কায় গমন করেন এবং ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

কর্মসূচিতে মক্কায় তাঁরা জাবালে সাওর, আরাফাত, পবিত্র কোরআন জাদুঘর ও ওহি জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রণালয় , উদ্যোগটি শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের সমন্বয় সাধনের একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। কর্মসূচির আওতায় জুল-হুলাইফাহ মিকাত থেকে শুরু করে ওমরাহর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ ও সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলতে তাঁদের নির্দিষ্ট দায়িত্বসহ ছোট ছোট দলে ভাগ করা হয়, যা পারস্পরিক সম্মান ও দলগত চেতনা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

আওকাফ মন্ত্রণালয় আরো উল্লেখ করে যে এই বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দেশে শান্তি ও হেদায়েতের দূত হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য।কাতার থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করে তাঁরা যেন তাঁদের সমাজে মধ্যপন্থী ইসলাম ও প্রজ্ঞার বার্তা পৌঁছে দিতে পারেন।