নিকারাগুয়ায় ‘১০’ রাজবন্দীর মুক্তি
নিকারাগুয়ার কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশটির ‘১০’ বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। শনিবার তারা এ কথা জানিয়েছে।
মার্কিন চাপের মুখে এই বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়।
নিকারাগুয়া সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আমেরিকান বাহিনী আটক করার এক সপ্তাহ পর এই বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হল।
সরকারের একটি অনলাইন বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ সব বন্দীকে জেলখানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তারা তাদের পরিবারদের কাছে ফিরে গেছে।
তবে বিবৃতিতে মুক্তিপ্রাপ্তদের নাম বা তাদের আটক থাকার কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের ফলে বন্দীদের এই মুক্তির ঘটনা ঘটেছে।
নিকারাগুয়ায় মার্কিন দূতাবাস শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটিতে এখনো ৬০ জনের বেশি মানুষ অন্যায়ভাবে আটক বা নিখোঁজ রয়েছে এবং শান্তি শুধুমাত্র স্বাধীনতার মাধ্যমে সম্ভব বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
এদিকে স্বতন্ত্র ও নির্বাসিত গণমাধ্যম ও এনজিওগুলো শুক্রবার রিপোর্ট করেছে যে অন্তত ৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এরা ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটককে সমর্থন বা এই ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করেছিল বলে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মাদুরো নিরাকাগুলোর প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগা ও তার স্ত্রী দেশটির কো-প্রেসিডেন্ট রোজারিও মুরিলোর ঘনিষ্ঠ মিত্র।
আন্তর্জাতিক চাপ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মানবাধিকার ও রাজনৈতিক দমন সম্পর্কিত সমালোচনার কারণেই মূলত এই বন্দীদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও দূতাবাস নিকারাগুয়ার সরকারের কঠোর দমননীতি ও বিরোধী মত রুদ্ধ করার কঠোর নিন্দা জানিয়ে আসছে।
সার্বিকভাবে, নিকারাগুয়ার এই বন্দী মুক্তি পদক্ষেপকে কিছু সংবাদপত্র ও বিশ্লেষক আন্তর্জাতিক চাপের বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছে।