শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৪ ১৪৩২, ১৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে দম্পতি নিহত সামরিক যোগাযোগ পুনরায় শুরুতে সম্মত রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ১৮ বছর পর ফের রাষ্ট্রদূত নিয়োগে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও বলিভিয়া ওমানে আলোচনার প্রস্তুতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মবিরতি দুদিন স্থগিত শফিক রেহমান-ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল রোজায় অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে ২ শিশুসহ এক পরিবারের ৪ জনের লাশ পোস্টাল ভোটের ফল আগেভাগে জানার সুযোগ নেই: ইসি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা শুক্রবার এরদোয়ান-সিসি বৈঠক : অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর জুলাই হত্যা: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোয় শাহবাজ শরীফকে আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ আন্দোলনের সঙ্গীরাই এখন আমার ওপর মিসাইল ছুড়ছে: জামায়াত আমির তিন লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে আধিপত্য বিস্তার: সিলেটে মহাসড়ক আটকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ অনিশ্চয়তা কাটল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘বৈঠক হচ্ছেই’, আলোচ্যসূচিতে মতভেদ আর্টেমিস ২: চাঁদে মানুষের যাত্রা পিছিয়ে গেল মার্চে বাংলাদেশের অটল অবস্থান ভালো লেগেছে নাসের হুসেইনের

আন্তর্জাতিক

১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ০০:২৩, ২৯ নভেম্বর ২০২০

১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ

১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে  রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  একটি স্বাধীন, সুসংহত ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন। আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস উপলক্ষে পৃথক বার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বার্তায় বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবসে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রদানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করছে।’

বার্তায় তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পূর্ব জেরুজালেমের সাথে ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে আল কুদস আল-শরীফকে রাজধানী করে দ্বি-রাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আমাদের নীতিগত অবস্থানের বিষয়টি পুনরুল্লেখ করছি।’

আব্দুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দিকনির্দেশন ও আমাদের সংবিধানের সাথে সঙ্গতি রেখে, বাংলাদেশ সব সময় সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত মানুষকে সমর্থন দিয়ে এসেছে।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনে তার প্রথম ভাষণে, ১৯৭৪ সালে ওআইসি’র দ্বিতীয় সম্মেলনে এবং ১৯৭৩ সালে চতুর্থ নাম সম্মেলনে ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রাম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ এই অবস্থানে অটল রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যার যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতিই আমাদেরকে ফিলিস্তিনিদের উপর হওয়া অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা যুগিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের উপর বহু বছর ধরে অন্যায় করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই সংকটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্র্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে এবং এই সংকটের একটি টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বার্তায় বলেন, ‘আমরা ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেম-আল কুদস আল-শরীফকে রাজধানী করে দ্বি-রাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আমাদের নীতিগত অবস্থানের বিষয়টি পুনরুল্লেখ করছি।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই তার এই অবস্থানে অটল রয়েছে। ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যার যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতিই আমাদেরকে ফিলিস্তিনিদের উপর হওয়া অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা যুগিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের উপর বহু বছর ধরে অন্যায় করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই সংকটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

তিনি আরো বলেন, ‘ এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্র্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে এবং এই সংকটের একটি টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।’

বাংলাদেশ নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ফিলিস্তিনি জনগণের উপর দখলদার বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের জোরালো বিরোধীতা করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসঙ্ঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতাই ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশার জন্য দায়ী।

এই দিনে বাংলাদেশ জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী ফিলিস্তিন ও এর ভূখন্ডগত স্বার্বভৌমত্বের পক্ষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস এবং দখলদার বাহিনীর অব্যহত আগ্রাসন ও অবৈধ স্থাপনা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দখলদার ইসরাইলী বাহিনীর এই অব্যহত মানবাধিকারের লংঘনের অবসানের আহ্বান জানাচ্ছি। ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার রক্ষায় এবং জাতিসঙ্ঘ প্রস্তাব, আরব পিস ইনিশিয়েটিভ ও কার্টেট রোড ম্যাপের আলোকে এই সংকটের একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’ বাসস

অনলাইন নিউজ পোর্টাল