ব্রেকিং:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও বেতন পাবেন অনলাইনে ওআইসির পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের বৈঠক শুক্রবার, শীর্ষ এজেন্ডা রোহিঙ্গা ভারতে কৃষকদের বিক্ষোভে পুলিশের বাধা, সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৭,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাজস্ব বোর্ডের পুরস্কার পাবে ভ্যাটদাতা ক্রেতা ভালো শিক্ষক ছাড়া শিক্ষায় পরিবর্তনে সুফল মিলবে না বস্তিতে আগুনের ঘটনা রহস্যজনক : মির্জা ফখরুল পার্বত্য চট্টগ্রামে বছরে ৪শ’ কোটি টাকার চাঁদাবাজি ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী বেসামরিক আফগানদের হত্যার দায়ে ১০ অস্ট্রেলীয় সেনা বরখাস্ত ম্যারাডোনার মৃত্যুতে মিরপুরে নীরবতা অবরুদ্ধ গাজায় দারিদ্রসীমার নিচে লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি: জাতিসংঘ
২২

মুসলিম নেতাদের প্রতি ম্যাক্রোঁর আল্টিমেটাম

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২০  

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলাম ও মহানবী হযরত মোহাম্মদের সা. অবমাননা করেছে ফ্রান্স। এ নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা মুসলিম বিশ্ব। বিভিন্ন দেশে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক আসে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সরকার বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সুর কিছুটা নমনীয় হলেও মুসলিম নাগরিকদেরকে চাপে রাখে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার ফ্রান্সের মুসলিম নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ম্যাক্রোঁ।

ফ্রেঞ্চ কাউন্সিল অব দ্যা মুসলিম ফেইথ (সিএফসিএম) নামক সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন। বৈঠকে ‘চরমপন্থাকে দমন ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ’কে ধারণ করার ব্যাপারে মুসলিম নেতাদের ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন। ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্সে বসবাস করতে হলে অবশ্যই এ দেশের আদর্শকে মেনে নিতে হবে।

 

ম্যাক্রোঁ বলেন, আমরা ইসলামকে অসম্মান করতে চাই না। কিন্তু এর নাম দিয়ে যেভাবে মুসলমানদেরকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়া হচ্ছে, তা কখনোই মেনে নেবো না। চরমপন্থার কাছে আমরা মাথা নত করবো না। মুসলিম নেতাদের উদ্দেশ্য করে ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্সে বসবাস করা সব মুসলমানদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। আমরা সংঘাত চাই না, শান্তি চাই।

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে প্যারিসের স্কুল শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি হত্যার মধ্য দিয়ে উত্তেজনা শুরু হয় ফ্রান্সে। মোহাম্মদের (সা.) কার্টুন দেখিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাখ্যা করেছিলেন। তারপর থেকেই দেশজুড়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে অপারেশন ও তদন্ত শুরু করে ফরাসি পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি মসজিদ। মুসলিম বিশ্বে শুরু হয় ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর