ইফতারে গিয়ে আটক সাবেক এমপি শাহ আলম কারামুক্ত
কোনো অভিযোগ বা মামলা না থাকায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শাহ আলম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি ইফতার আয়োজনে যোগ দিতে গেলে পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক এমপিকে আটক করে কারাগারে পাঠায় রমনা থানা পুলিশ।
তিনি কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মঙ্গলবার মুক্তি পান বলে তার আইনীজীব কায়েশ আহমেদ অর্ণব জানিয়েছেন।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইফতার আয়োজনে যোগ দিতে শাহ আলম ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গেলে লোকজন চিনতে পেরে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে রমনা থানায় নিয়ে যায়।
পরদিন ১ মার্চ আদালতে হাজির করে পুলিশ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে।
সে আবেদনে বলা হয়েছিল, তিনি আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘বিরুদ্ধে’ কাজ করেছেন। তার নামে একাধিক মামলা থাকায় স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে এবং পুলিশে হস্তান্তর করেন।
আবেদনে বলা হয়, থানায় নিয়ে সাবেক এমপিকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো ‘সন্তোষজনক’ জবাব দিতে পারেননি। অপরাধে জড়িত সন্দেহে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।
তার বিষয়ে থানা কোনো অভিযোগ আছে কিনা এবং তার বিদেশে যাওয়া আসার তথ্য যাচাই বাছাই চলছে। এ অবস্থায় ‘সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের’ স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
শাহ আলমের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব বলেন, শাহ আলমের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ, জিডি বা মামলা না থাকার কথা তুলে ধরে সোমবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন রমনা মডেল থানার এসআই নবী হোসেন।
আইনজীবী বলেন, “মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক তাকে রিলিজ অর্ডার দেন। আজ কারামুক্ত হলেন তিনি।”
শাহ আলম ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।