ব্রেকিং:
আগামীকাল থেকে সাত জেলায় কঠোর লকডাউন মালয়েশিয়ায় ১০২ বাংলাদেশি আটক ভোলায় ইউপি নির্বাচনে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে ১ জন নিহত কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলমান বিধিনিষেধ আরো এক মাস বাড়ল আগামী জুলাইয়েও খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে, আটক ৪৪

মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ১১ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
৪০ মণ ওজনের ‘বীর বাহাদুর’ দেখতে জনতার ভিড় বৃষ্টিপাত কমে বাড়তে পারে তাপমাত্রা ভারতে যৌথবাহিনীর সাথে জঙ্গিগোষ্ঠীর সংঘর্ষ, নিহত ৩ রাজধানীর তিন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম আবারো কোরোনায় বাতিল হচ্ছে চার পাবলিক পরীক্ষা শত শত বাংলাদেশী লিবিয়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী কুষ্টিয়ায় সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা আজ শুরু হচ্ছে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচি ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিগগিরি স্বাধীন হবে আল-আকসা চোরাই পথে খালাস হয়ে গেল বিটুমিনের একটি জাহাজ। পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে স্লাব বসানোর কাজ সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ায় টিকা নিলেই মুরগি ফ্রি! সিঙ্গাপুরে সিনোভ্যাক টিকার ব্যাপক চাহিদা অযোধ্যার রাম মন্দির নিয়ে হিন্দু মহলে বিভক্তি
৪০

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২১  

পৃথিবীর বর্তমান মানচিত্র পরিবর্তন করে নতুন মানচিত্র প্রকাশের কথা জানিয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি। ১৩০ বছরের অন্বেষণের পর ‘বিশ্ব মহাসাগর দিবস’-এর দিন এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি জানায়, অ্যান্টার্কটিকার চারপাশের যে জলাশয় তাই এখন দক্ষিণ মহাসাগর অর্থাৎ এই গ্রহের পঞ্চম মহাসমুদ্র হিসাবে পরিচিত হবে।

সংগঠনটির ভূগোলবিদ অ্যালেক্স টেইট বলেছেন, ‘দক্ষিণ মহাসাগর দীর্ঘকাল বিজ্ঞানীদের দ্বারা স্বীকৃত, কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে কখনও চুক্তি হয়নি বলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে স্বীকৃতি দিতে পারিনি।’

তিনি জানান, দক্ষিণ মহাসাগরকে তার ভৌগোলিক বিশেষত্বের জন্য আলাদা তালিকাভুক্ত করেই গবেষণা করা হচ্ছিল, কারণ এর সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য মহাসাগরের বেশ কিছু পার্থক্য আছে এবং এই মহাসাগরের পরিবেশগত পার্থক্যের জন্যই একে পঞ্চম মহাসমুদ্রের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

১৯১৫ সালে মানচিত্র নির্ধারণের সময় থেকে এতদিন পর্যন্ত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কার্টোগ্রাফাররা পৃথিবীতে চারটি মহাসাগর তালিকাভুক্ত করেছেন। সেগুলি হল- আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর  এবং আর্কটিক মহাসাগর। দক্ষিণ-মহাদেশে চারপাশের বিশাল জলাশয় আটলান্টিক, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারতীয় মহাসাগরের সম্প্রসারণ হিসাবে দেখা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিজ্ঞানীরা অ্যান্টার্কটিকের পানিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পেয়েছেন।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন বলছে, মূলত সেখানে যে পানির স্রোত তা অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট নামে পরিচিত। তাই এর অনন্য বৈশিষ্ট্য একে অন্য মহাসাগর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 

অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট পানিকে ঠান্ডা এবং কিছুটা কম লবণাক্ত করে তোলে যা সমুদ্রের গভীরে কার্বন সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং পৃথিবীর জলবায়ুতে একটি গুরুতর প্রভাব ফেলে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার তথা সামুদ্রিক বিজ্ঞানী সেঠ সিকোড়া-বডি জানিয়েছেন, বিশ্বের পঞ্চম মহাসাগরের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যে পরিচিত হয়েছে সে মন্ত্রমুগ্ধের মত তা উপলব্ধি করতে পেরেছে। চারপাশের হিমবাহ, ঠান্ডা বাতাস এবং হিমশীতল পাহাড়ের মাঝে দক্ষিণ মহাসাগরের নীল জলরাশি স্বর্গীয় দৃশ্যের থেকে কোনো অংশে কম নয়।


এই বিভাগের আরো খবর