বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১ ১৪৩২, ২৫ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

৩ স্থানে অবরোধের ডাক দিয়ে সড়ক ছাড়লেন আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে গত ৩ নির্বাচনে গোয়েন্দা সংস্থার অনেকে ছিলেন ‘স্বপ্রণোদিত’: প্রতিবেদন জুলাই জাতীয় সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো: সালাহউদ্দিন আহমদ যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হবে, আঞ্চলিক দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি ‘সাহস থাকলে’ শেখ হাসিনা ও জয় দেশে এসে কথা বলুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়: প্রধান উপদেষ্টা রংপুরে ‘স্পিরিট পানে’ তিন দিনে ৬ জনের মৃত্যু অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: জানাজা সম্পন্ন, দাফন বৃহস্পতিবার সিলেটের ছয়টি আসনে ৩৯ প্রার্থীর ২২ জনই কোটিপতি থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ১২ ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানি বিক্রির বিরোধিতা, যুক্তরাষ্ট্রে মামলা দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দেবেন ট্রাম্প : আয়োজক কমিটি ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

এডিটর`স চয়েস

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি

 প্রকাশিত: ২১:৩২, ৯ জুন ২০২১

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি

পৃথিবীর বর্তমান মানচিত্র পরিবর্তন করে নতুন মানচিত্র প্রকাশের কথা জানিয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি। ১৩০ বছরের অন্বেষণের পর ‘বিশ্ব মহাসাগর দিবস’-এর দিন এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি জানায়, অ্যান্টার্কটিকার চারপাশের যে জলাশয় তাই এখন দক্ষিণ মহাসাগর অর্থাৎ এই গ্রহের পঞ্চম মহাসমুদ্র হিসাবে পরিচিত হবে।

সংগঠনটির ভূগোলবিদ অ্যালেক্স টেইট বলেছেন, ‘দক্ষিণ মহাসাগর দীর্ঘকাল বিজ্ঞানীদের দ্বারা স্বীকৃত, কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে কখনও চুক্তি হয়নি বলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে স্বীকৃতি দিতে পারিনি।’

তিনি জানান, দক্ষিণ মহাসাগরকে তার ভৌগোলিক বিশেষত্বের জন্য আলাদা তালিকাভুক্ত করেই গবেষণা করা হচ্ছিল, কারণ এর সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য মহাসাগরের বেশ কিছু পার্থক্য আছে এবং এই মহাসাগরের পরিবেশগত পার্থক্যের জন্যই একে পঞ্চম মহাসমুদ্রের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

১৯১৫ সালে মানচিত্র নির্ধারণের সময় থেকে এতদিন পর্যন্ত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কার্টোগ্রাফাররা পৃথিবীতে চারটি মহাসাগর তালিকাভুক্ত করেছেন। সেগুলি হল- আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর  এবং আর্কটিক মহাসাগর। দক্ষিণ-মহাদেশে চারপাশের বিশাল জলাশয় আটলান্টিক, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারতীয় মহাসাগরের সম্প্রসারণ হিসাবে দেখা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিজ্ঞানীরা অ্যান্টার্কটিকের পানিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পেয়েছেন।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন বলছে, মূলত সেখানে যে পানির স্রোত তা অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট নামে পরিচিত। তাই এর অনন্য বৈশিষ্ট্য একে অন্য মহাসাগর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 

অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট পানিকে ঠান্ডা এবং কিছুটা কম লবণাক্ত করে তোলে যা সমুদ্রের গভীরে কার্বন সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং পৃথিবীর জলবায়ুতে একটি গুরুতর প্রভাব ফেলে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার তথা সামুদ্রিক বিজ্ঞানী সেঠ সিকোড়া-বডি জানিয়েছেন, বিশ্বের পঞ্চম মহাসাগরের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যে পরিচিত হয়েছে সে মন্ত্রমুগ্ধের মত তা উপলব্ধি করতে পেরেছে। চারপাশের হিমবাহ, ঠান্ডা বাতাস এবং হিমশীতল পাহাড়ের মাঝে দক্ষিণ মহাসাগরের নীল জলরাশি স্বর্গীয় দৃশ্যের থেকে কোনো অংশে কম নয়।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল