বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৭ ১৪৩২, ২৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরান দলকে বিশ্বকাপে ‘স্বাগত জানাবেন’ ট্রাম্প নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পুড়ল পাকিস্তান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন তারেক রহমান নিরাপদ আছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবি: তদন্তে নেমেছে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পলাতক কর্মকর্তা ইরান যুদ্ধ নিয়ে মিশ্র বার্তায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানালো উত্তর কোরিয়া ইরানের মাইন স্থাপনকারী নৌযান ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প যুদ্ধ চললে উপসাগর থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হবে না : ইরান সেবা নিয়ে অভিযোগের মধ্যে ফের বাড়ল খুলনায় পানির দাম ববি হাজ্জাজের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পর্ষদে এমপিদের ফেরানোর তোড়জোড় শুরু ফের বাড়লো সোনা-রুপার দাম

এডিটর`স চয়েস

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি

 প্রকাশিত: ২১:৩২, ৯ জুন ২০২১

পৃথিবীর নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি

পৃথিবীর বর্তমান মানচিত্র পরিবর্তন করে নতুন মানচিত্র প্রকাশের কথা জানিয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি। ১৩০ বছরের অন্বেষণের পর ‘বিশ্ব মহাসাগর দিবস’-এর দিন এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি জানায়, অ্যান্টার্কটিকার চারপাশের যে জলাশয় তাই এখন দক্ষিণ মহাসাগর অর্থাৎ এই গ্রহের পঞ্চম মহাসমুদ্র হিসাবে পরিচিত হবে।

সংগঠনটির ভূগোলবিদ অ্যালেক্স টেইট বলেছেন, ‘দক্ষিণ মহাসাগর দীর্ঘকাল বিজ্ঞানীদের দ্বারা স্বীকৃত, কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে কখনও চুক্তি হয়নি বলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে স্বীকৃতি দিতে পারিনি।’

তিনি জানান, দক্ষিণ মহাসাগরকে তার ভৌগোলিক বিশেষত্বের জন্য আলাদা তালিকাভুক্ত করেই গবেষণা করা হচ্ছিল, কারণ এর সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য মহাসাগরের বেশ কিছু পার্থক্য আছে এবং এই মহাসাগরের পরিবেশগত পার্থক্যের জন্যই একে পঞ্চম মহাসমুদ্রের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

১৯১৫ সালে মানচিত্র নির্ধারণের সময় থেকে এতদিন পর্যন্ত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কার্টোগ্রাফাররা পৃথিবীতে চারটি মহাসাগর তালিকাভুক্ত করেছেন। সেগুলি হল- আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর  এবং আর্কটিক মহাসাগর। দক্ষিণ-মহাদেশে চারপাশের বিশাল জলাশয় আটলান্টিক, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারতীয় মহাসাগরের সম্প্রসারণ হিসাবে দেখা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিজ্ঞানীরা অ্যান্টার্কটিকের পানিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পেয়েছেন।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন বলছে, মূলত সেখানে যে পানির স্রোত তা অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট নামে পরিচিত। তাই এর অনন্য বৈশিষ্ট্য একে অন্য মহাসাগর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 

অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট পানিকে ঠান্ডা এবং কিছুটা কম লবণাক্ত করে তোলে যা সমুদ্রের গভীরে কার্বন সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং পৃথিবীর জলবায়ুতে একটি গুরুতর প্রভাব ফেলে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার তথা সামুদ্রিক বিজ্ঞানী সেঠ সিকোড়া-বডি জানিয়েছেন, বিশ্বের পঞ্চম মহাসাগরের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যে পরিচিত হয়েছে সে মন্ত্রমুগ্ধের মত তা উপলব্ধি করতে পেরেছে। চারপাশের হিমবাহ, ঠান্ডা বাতাস এবং হিমশীতল পাহাড়ের মাঝে দক্ষিণ মহাসাগরের নীল জলরাশি স্বর্গীয় দৃশ্যের থেকে কোনো অংশে কম নয়।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল