রোববার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৬ ১৪৩২, ২০ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হজ ভিসা মিলবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে দুদিন দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা নানিবাড়ি এলাকার ভোট চাইলেন তারেক রহমান রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ঋণ মওকুফ হবে : তারেক রহমান এমপি হয়ে প্লট, শুল্কমুক্ত গাড়ি নেব না: হবিগঞ্জে জামায়াত আমির হাদি হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না: হাদির বোন কারাগারে মারা গেলেন সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন এনসিটি ইজারা: রোববার থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত সেই শিশুর মৃত্যু আবার বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে : ট্রাম্প জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার? তারেক বললেন, বিএনপি ‘একাই সক্ষম’ তারেক রহমানকে ওপেন ডিবেটের আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের বিশ্বকাপ শুরু, ৩০ বছর পর নেই বাংলাদেশ ইউক্রেইনে ‘মার্চের মধ্যে’ শান্তি চুক্তি ও দ্রুত নির্বাচন ‘চায় যুক্তরাষ্ট্র’

ইসলাম

“পরিত্যক্ত পুরাতন মসজিদের স্থান সম্পর্কে করণীয় কী?”

 প্রকাশিত: ০৭:০৬, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

“পরিত্যক্ত পুরাতন মসজিদের স্থান সম্পর্কে করণীয় কী?”

প্রশ্ন. আমাদের এলাকার পুরাতন টিনের মসজিদে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের কাছাকাছি নতুন আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন মসজিদের কারণে পুরাতন টিনসেড মসজিদটি অনাবাদ হয়ে পড়ে। এখন সে স্থান অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। জানতে চাই, এ সম্পর্কে আমাদের করণীয় কী?

উত্তর. কোনো স্থানে মসজিদ হয়ে গেলে ঐ স্থান কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদের জন্য নির্ধারিত হয়ে যায়। ঐ স্থান মসজিদ ছাড়া অন্য কাজে ব্যবহার করা জায়েয নয়। তাই নতুন মসজিদের কারণে পুরাতন মসজিদের প্রয়োজন না থাকলেও তা মসজিদ হিসাবে হেফাযত করতে হবে। অস্থায়ীভাবে তাতে কুরআন মজীদের তা’লীম ইত্যাদি দ্বীনী কাজ চালু রাখা যেতে পারে। তবে মসজিদের আদাব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। পরবর্তীতে যখন নিয়মিত জামাত করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তখন তাতে জামাত চালু করবে। অবশ্য যদি সম্ভব হয় তাহলে দুই মসজিদকে মিলিয়ে একটি বড় মসজিদ বানিয়ে নিবে। কিন্তু কোনো অবস্থায় তা বে-দখল বা অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

সূরা জিন : ১৮; তাফসীরুল মুহাররারিল ওয়াজীয, ইবনে আতিয়্যাহ ১৫/১৪৫; আদ্দুররুল মুখতার ৪/৩৪৮; আলবাহরুর রায়েক ৮/২৫০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৮৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৫/৮৪৬; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৪২৪; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৮/২২৩; কিতাবুল মাজমু’ ১৬/৩৩

মাসিক আলকাউসার