থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা বরখাস্ত

সাংবিধানিক আদালতের রায়ে পদচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।
নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র এক বছরের মাথায় এ রায় এলো, যা দেশটির রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে।
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন পেতংতার্ন। আদালতের রায়ে বলা হয়, ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপে তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের কাছে নতি স্বীকার করেন, যা সীমান্ত উত্তেজনার সময়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আদালত ৬-৩ ভোটে তাঁকে পদচ্যুত করে।
এই রায় কার্যকর হওয়ায় নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পথ খুলেছে। তবে পেতংতার্নের নেতৃত্বাধীন ফিউ থাই পার্টির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ায় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
এর মাধ্যমে প্রভাবশালী সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কন্যা ও রাজনৈতিক উত্তরসূরির প্রধানমন্ত্রিত্বের সমাপ্তি ঘটল। এর আগে ২০০৮ সালের পর এ নিয়ে মোট পাঁচজন থাই প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে পদ হারালেন।
ফোনালাপ ফাঁস হওয়া নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে পেতংতার্ন বলেন, যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি।