শুক্রবার ২৯ আগস্ট ২০২৫, ভাদ্র ১৪ ১৪৩২, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিক্ষা

‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলমান রেখে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের

 আপডেট: ২১:৩০, ২৮ আগস্ট ২০২৫

‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলমান রেখে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সে (আইইবি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন সংগঠনের সভাপতি মো. ওয়ালি উল্লাহ। এ সময় আন্দোলনকারীরা ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্য তুলে ধরেন।

ওয়ালি উল্লাহ বলেন, “আমাদের আন্দোলন তিন দফা দাবির ভিত্তিতে চলছে। গতকালের ঘটনার পর আমাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই আগামী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব ক্যাম্পাসে শাটডাউন অব্যাহত থাকবে।”

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে বিভাগীয় সম্মেলন এবং পরের সপ্তাহে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তাঁরা জনদুর্ভোগ এড়াতে সভা-সমাবেশের পরিবর্তে সম্মেলনের মতো কর্মসূচি বেছে নিয়েছেন বলে জানান। তবে আজ রাজধানীতে শিক্ষার্থীরা এক মিছিলও করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো
১. সহকারী প্রকৌশলী (৯ম গ্রেড) পদে শুধুমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ ও ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার করা।
২. ১০ম গ্রেডে শুধু ডিপ্লোমাধারীরা নয়, উচ্চতর ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবেন
এমন সুযোগ সৃষ্টি করা।
৩. কেবলমাত্র বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্নকারীরাই “প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার)” উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন
এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।

গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তাঁরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও লাঠিপেটায় বহু শিক্ষার্থী আহত হন। পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শাহবাগ অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। রাতেই তাঁরা দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ ঘোষণা দেন।