শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

জাতীয়

ভোলায় বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, ৫ রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

 প্রকাশিত: ২১:৩৯, ৪ মে ২০২৫

ভোলায় বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, ৫ রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস শ্রমিকদের ওপর সিএনজি চালকদের হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘট ঘোষণা করেছে জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়ন। রোববার (৪ মে) সন্ধ্যা থেকে ভোলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে আসা দৌলতখানগামী হাজী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস বাংলাবাজার সংলগ্ন জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে একযোগে কয়েকটি সিএনজি এসে বাসটিকে গতিরোধ করে। এসময় সিএনজিকে সাইড দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ৭-৮ জন সিএনজি চালক বাস চালক ও হেলপারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং বাসে ভাঙচুর করে। এতে অন্তত ১৫-২০ জন বাস শ্রমিক আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান বাস শ্রমিকরা। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

ভোলা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “গত ২৮ এপ্রিলও আমাদের পরিবহনের ওপর হামলা হয়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ আবারও সিএনজি চালকরা হামলা চালিয়েছে। এ পর্যন্ত আমাদের অন্তত ১৫-২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বাংলাবাজার, কুঞ্জেরহাট, কর্তারহাট, লালমোহনসহ একাধিক স্থানে একযোগে এ হামলা হয়েছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা বাস চলাচল বন্ধ রাখবো।”

ঘটনার পর থেকে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও সিএনজির চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে, সিএনজি চালক ও মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।