মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২, ১৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি ইরানের হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা সদর দপ্তরের প্রধান নিহত, দাবি ইসরায়েলের খামেনি হত্যার খবর শুনে ‘মর্মাহত’ বাংলাদেশ প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫ বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত, আহত ২ ইসরায়েলের বিমান হামলায় লেবাননে ৩১ জন নিহত, আহত ১৪৯ যুদ্ধের মধ্যে জেবেল আলী বন্দরে আটকা বিএসসির জাহাজ ‘জয়যাত্রা’ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ‘দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য’ অন্য আদালতে যানজট নিরসনে বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসব না: লারিজানি ইরান যুদ্ধ: তেলের দামে উত্থান, পুঁজিবাজারে পতন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তিন দিনে শাহজালালে ৭৪ ফ্লাইট বাতিল ইরান যুদ্ধে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, গুরুতর আহত ৫ ইরানের পাল্টা হামলায় আমিরাতে এক বাংলাদেশি নিহত কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত

জাতীয়

ভোলায় বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, ৫ রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

 প্রকাশিত: ২১:৩৯, ৪ মে ২০২৫

ভোলায় বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, ৫ রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস শ্রমিকদের ওপর সিএনজি চালকদের হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘট ঘোষণা করেছে জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়ন। রোববার (৪ মে) সন্ধ্যা থেকে ভোলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে আসা দৌলতখানগামী হাজী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস বাংলাবাজার সংলগ্ন জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে একযোগে কয়েকটি সিএনজি এসে বাসটিকে গতিরোধ করে। এসময় সিএনজিকে সাইড দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ৭-৮ জন সিএনজি চালক বাস চালক ও হেলপারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং বাসে ভাঙচুর করে। এতে অন্তত ১৫-২০ জন বাস শ্রমিক আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান বাস শ্রমিকরা। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

ভোলা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “গত ২৮ এপ্রিলও আমাদের পরিবহনের ওপর হামলা হয়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ আবারও সিএনজি চালকরা হামলা চালিয়েছে। এ পর্যন্ত আমাদের অন্তত ১৫-২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বাংলাবাজার, কুঞ্জেরহাট, কর্তারহাট, লালমোহনসহ একাধিক স্থানে একযোগে এ হামলা হয়েছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা বাস চলাচল বন্ধ রাখবো।”

ঘটনার পর থেকে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও সিএনজির চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে, সিএনজি চালক ও মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।