রোববার ১৫ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১ ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান হামাসের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মির্জা আব্বাস, ‘সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো’ জামিনে কারামুক্ত আনিস আলমগীর আরও ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক পদে বিএনপি নেতারা রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হবে ৫০ ঘণ্টা শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা, তাহের উপনেতা দেশে ফিরেছেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি ইরান ‘সম্পূর্ণ পরাজিত’, তারা চুক্তি করতে চায়: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প সারের দাম বাড়ায় ভেনেজুয়েলা থেকে আমদানির অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের ঈদযাত্রা: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৫ স্থানে যানজটের শঙ্কা রাজশাহীতে সংসদ সদস্যের সঙ্গে হত্যা মামলার আসামির সেলফি আবারও কমল সোনা-রুপার দাম বাহরাইনে যুদ্ধাতঙ্ক: অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশি কর্মীরা ইরানি হামলায় ‘সৌদি আরবে ৫টি মার্কিন সামরিক বিমান’ ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের খারক দ্বীপে বোমা ফেলল যুক্তরাষ্ট্র, তেল স্থাপনায় হামলার হুমকি

জাতীয়

নাইকো দুর্নীতি: খালেদা জিয়াসহ আট আসামিই খালাস

 আপডেট: ১৪:৩৩, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

নাইকো দুর্নীতি: খালেদা জিয়াসহ আট আসামিই খালাস

আঠার বছর আগের নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আট আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে রয়েছেন।

খালাস পাওয়া বাকি সাতজন হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে ‘অস্বচ্ছ’ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।

দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেখানে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

ওই ১১ জনের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়াসহ আট আসামির বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান।

এ মামলার বিচার চলাকালে ৬৮ সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।