শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১০ ১৪৩২, ০৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

কেবল বিএনপি পালায় না: তারেক রহমান ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ লাগবে না তো: নাহিদ চাঁদা নেব না, নিতেও দেব না: শফিকুর রহমান ভোট চুরির প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে: তারেক রহমান ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকেও বদল নেই সিদ্ধান্তে নির্বাচন ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা চার দিনের ছুটি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিচার শুরুর আদেশ হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন, ‘সম্ভবত তাই’ উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে: তারেক রহমান নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম রিমান্ড শেষে কারাগারে আবেদ আলী নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের বোঝা ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ইয়েমেনে সরকারপন্থী বহরে হামলা, নিহত ৫ ভোটে ৫১ দল: ধানের শীষের ২৮৮ প্রার্থী, দাঁড়িপাল্লার ২২৪ যুক্তরাষ্ট্র ‘বিস্ময়কর অর্থনৈতিক অগ্রগতির’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: ট্রাম্প

জাতীয়

নাইকো দুর্নীতি: খালেদা জিয়াসহ আট আসামিই খালাস

 আপডেট: ১৪:৩৩, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

নাইকো দুর্নীতি: খালেদা জিয়াসহ আট আসামিই খালাস

আঠার বছর আগের নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আট আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে রয়েছেন।

খালাস পাওয়া বাকি সাতজন হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে ‘অস্বচ্ছ’ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।

দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেখানে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

ওই ১১ জনের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়াসহ আট আসামির বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান।

এ মামলার বিচার চলাকালে ৬৮ সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।