শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ৩০ ১৪৩২, ২৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

আরও ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক পদে বিএনপি নেতারা রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হবে ৫০ ঘণ্টা শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা, তাহের উপনেতা দেশে ফিরেছেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি ইরান ‘সম্পূর্ণ পরাজিত’, তারা চুক্তি করতে চায়: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প তুরস্ক নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণে সতর্ক করেছে। সারের দাম বাড়ায় ভেনেজুয়েলা থেকে আমদানির অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের ঈদযাত্রা: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৫ স্থানে যানজটের শঙ্কা রাজশাহীতে সংসদ সদস্যের সঙ্গে হত্যা মামলার আসামির সেলফি আবারও কমল সোনা-রুপার দাম বাহরাইনে যুদ্ধাতঙ্ক: অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশি কর্মীরা ইরানি হামলায় ‘সৌদি আরবে ৫টি মার্কিন সামরিক বিমান’ ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের খারক দ্বীপে বোমা ফেলল যুক্তরাষ্ট্র, তেল স্থাপনায় হামলার হুমকি

খেলা

চেলসির সাথে ছয় বছরের চুক্তি বৃদ্ধি করলেন রেসি জেমস

 প্রকাশিত: ১৭:৪৯, ১৪ মার্চ ২০২৬

চেলসির সাথে ছয় বছরের চুক্তি বৃদ্ধি করলেন রেসি জেমস

প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্ট চেলসির সাথে ছয় বছরের চুক্তি নবায়ন করেছেন অধিনায়ক রেসি জেমস। নতুন চুক্তি অনুযায়ী ২০৩২ সাল পর্যন্ত স্ট্যামফোর্ড ব্রীজে থাকবেন জেমস। ক্লাব সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে গিয়ে রেসি জেমস জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্ত নিতে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি। 

মাত্র ছয় বছর বয়সে চেলসির হয়ে অনুশীলনের সুযোগ পান জেমস। ২০২৩ সালে ক্লাবের অধিনায়ক মনোনীত হন ২৬ বছর বয়সী এই ইংলিশ ডিফেন্ডার। 

ব্লুজদের সাথে জেমসের আগের চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০২৮ সাল পর্যন্ত। কিন্তু চুক্তির শেষ বছরে যাবার আগেই চেলসি নতুন চুক্তির ব্যপারে সম্মত হয়। বিশেষ করে এন্টোনিও রুডিগার ও আন্দ্রেস ক্রিস্টেনটেন যেভাবে ফ্রি ট্রান্সফার সুবিধায় রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনায় পাড়ি জমিয়েছিলেন সেই ঝুঁকি এড়াতেই চেলসি তাড়াহুড়ো করে এই সিদ্ধান্ত নেয়। 

চেলসির হয়ে ২২৫টি ম্যাচ খেলেছেন জেমস। ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও গত বছরের ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। 

নতুন চুক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জেমস বলেন, ‘সত্যি বলতে এটা নিয়ে তেমন একটা ভাবতে হয়নি। আমি এই ক্লাবের হাত ধরেই নিজেকে পরিনত করেছি। এই ক্লাবকে আমি ভালবাসি। এখানে জয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে এই ক্লাবের হয়ে আরো বড় কিছু অর্জণ করতে পারবো। 

ক্লাবের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মালিকপক্ষ ও স্পোর্টিং ডিরেক্টর- সবার সঙ্গেই আমি কথা বলেছি। আমরা যে প্রকল্পটি নিয়ে কাজ করছি এবং যা গড়ে তুলতে চাই, তার প্রতি আমি পুরোপুরি সমর্থন জানাই।

আমি সাইনিং বা নতুন খেলোয়াড় আনার বিষয় পর্যন্ত আলোচনায় যাইনি, তবে আমি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম যে আমাদের দিকনির্দেশনা ও লক্ষ্য একসঙ্গে মিলছে।

নিশ্চিতভাবেই ক্লাবের উপরের স্তর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবং এই ক্লাবের লক্ষ্য হলো জয়লাভ করা। আমি এখানে যত বছর আছি, ক্লাব প্রতি বছরই শিরোপা জিতেছে এবং আমরা তা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।”

জেমস স্বীকার করেছেন যে চেলসি ছেড়ে অন্য কোথাও গেলে তিনি হয়তো আরও বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতেন। তবে তিনি বলেছেন, “ভালোবাসা ও সুখ” তাকে নতুন চুক্তিতে সই করতে রাজি করিয়েছে।

তিনি বলেন, “এই ক্লাবই আমার বাড়ি, এটিই সেই জায়গা যাকে আমি ভালোবাসি এবং যেখানে থাকতে চাই। অন্য কোথাও গেলে হয়তো আরও বেশি টাকা অর্জন করতে পারতাম। কিন্তু টাকা সবকিছু নয়।

সুখ এবং আমি কোথায় থাকতে চাই, এই বিষয়গুলো আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি এখানে জিততে চাই, এবং আমরা এখানেই জিতব।”

২০১৭ সালের মার্চে জেমস প্রথম পেশাদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। ঐ মৌসুমে তিনি একাডেমির বর্ষসেরা খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছিলেন। ইয়ুথ এফএ কাপে চেলসিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। 

উইগান এ্যাথলেটিকে লোন স্পেলের সময় রেসি জেমস চেলসি থেকে একমাত্র সময়ের জন্য দুরে ছিলেন। সেখানে তিনি মূলত মিডফিল্ডে খেলেছিলেন এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে মৌসুম শেষে ক্লাবের মৌসুম সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

২০১৯-২০ মৌসুমের আগে কোবহাম ট্রেনিং সেন্টারে ফরে আসার পর থেকেই তিনি চেলসির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন। চোটের সঙ্গে লড়াই করে তিনি নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন এবং বর্তমানে কোচ এনজো মারসেকা ও লিয়াম লোসেনিয়রের অধীনে দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি নিজের পছন্দের রাইট-ব্যাক পজিশনের পাশাপাশি মিডফিল্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।