সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৯ ১৪৩২, ২৩ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু গুলি বের করা যায়নি, টেকনাফের হুজাইফার অবস্থার উন্নতি নেই আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই, এটি সরকারের ব্যর্থতা: মির্জা ফখরুল ৫০ বছর পর চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছে নাসা, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভাইরাল পোস্টে নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা: সন্দেহভাজন মিলন র‌্যাবের হাতে ধরা চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের ফজলুলের প্রার্থিতা ফিরল না আপিলেও হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে শক্ত বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী নেতার সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী ট্রাম্প

জাতীয়

পাটকল দখলের অভিযোগে মামলা, সাবেক আইজিপি আসামি

 প্রকাশিত: ১৪:৪৬, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পাটকল দখলের অভিযোগে মামলা, সাবেক আইজিপি আসামি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় একটি পাটকল দখল করে নেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কামারখালীর দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ নামের ওই পাটকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মৃধা মনিরুজ্জামান মনির গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা করেন। মনির যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি ও ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

তার জবানবন্দি শুনে মহানগর হাকিম সাইফুল ইসলাম বিপিআইকে মামলাটি তদন্ত করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।


মামলার অন্য আসামিরা হলেন দাহমাশী জুট মিলের বর্তমান চেয়ারম্যান নোমান চৌধুরী ও তার ছেলে কোম্পানির পরিচালক সালমান চৌধুরী, কোম্পানির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আবদুর রাজ্জাক এবং র‌্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হক। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, নোমান চৌধুরী ও মনিরুজ্জামান মনির মিলে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২০ সালের ২০ জুন নোমান চৌধুরীর ছেলে সালমান পরিচালক হিসেবে কোম্পানিতে যোগ দেন। ওই বছরই নোমান ও সালমান কোম্পানির পুরো মালিকানা নিতে বাদীকে চাপ দিতে থাকেন।

“২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর সকালে নোমান চৌধুরীর নির্দেশে সালমান চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং নাজমুল হকসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জন বাদীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে এবং কালো গ্লাস সম্বলিত মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানেই বাদীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। বাদীকে বাধ্য করা হয় কোম্পানির শেয়ার লিখে দিতে।”

বাদী বলছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ঘটনার সময় তিনি পুলিশ ও আদালতে অভিযোগ করতে পারেননি। এখন পরিস্থিতি বদল হওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেছেন।