শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ৩০ ১৪৩২, ২৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান হামাসের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মির্জা আব্বাস, ‘সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো’ জামিনে কারামুক্ত আনিস আলমগীর আরও ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক পদে বিএনপি নেতারা রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হবে ৫০ ঘণ্টা শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা, তাহের উপনেতা দেশে ফিরেছেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি ইরান ‘সম্পূর্ণ পরাজিত’, তারা চুক্তি করতে চায়: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প সারের দাম বাড়ায় ভেনেজুয়েলা থেকে আমদানির অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রের ঈদযাত্রা: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১৫ স্থানে যানজটের শঙ্কা রাজশাহীতে সংসদ সদস্যের সঙ্গে হত্যা মামলার আসামির সেলফি আবারও কমল সোনা-রুপার দাম বাহরাইনে যুদ্ধাতঙ্ক: অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশি কর্মীরা ইরানি হামলায় ‘সৌদি আরবে ৫টি মার্কিন সামরিক বিমান’ ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের খারক দ্বীপে বোমা ফেলল যুক্তরাষ্ট্র, তেল স্থাপনায় হামলার হুমকি

জাতীয়

পাটকল দখলের অভিযোগে মামলা, সাবেক আইজিপি আসামি

 প্রকাশিত: ১৪:৪৬, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পাটকল দখলের অভিযোগে মামলা, সাবেক আইজিপি আসামি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় একটি পাটকল দখল করে নেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কামারখালীর দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ নামের ওই পাটকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মৃধা মনিরুজ্জামান মনির গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা করেন। মনির যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি ও ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

তার জবানবন্দি শুনে মহানগর হাকিম সাইফুল ইসলাম বিপিআইকে মামলাটি তদন্ত করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।


মামলার অন্য আসামিরা হলেন দাহমাশী জুট মিলের বর্তমান চেয়ারম্যান নোমান চৌধুরী ও তার ছেলে কোম্পানির পরিচালক সালমান চৌধুরী, কোম্পানির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আবদুর রাজ্জাক এবং র‌্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হক। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, নোমান চৌধুরী ও মনিরুজ্জামান মনির মিলে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২০ সালের ২০ জুন নোমান চৌধুরীর ছেলে সালমান পরিচালক হিসেবে কোম্পানিতে যোগ দেন। ওই বছরই নোমান ও সালমান কোম্পানির পুরো মালিকানা নিতে বাদীকে চাপ দিতে থাকেন।

“২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর সকালে নোমান চৌধুরীর নির্দেশে সালমান চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং নাজমুল হকসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জন বাদীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে এবং কালো গ্লাস সম্বলিত মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানেই বাদীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। বাদীকে বাধ্য করা হয় কোম্পানির শেয়ার লিখে দিতে।”

বাদী বলছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ঘটনার সময় তিনি পুলিশ ও আদালতে অভিযোগ করতে পারেননি। এখন পরিস্থিতি বদল হওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেছেন।