শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬, আষাঢ় ৫ ১৪৩৩

ব্রেকিং

পটিয়ায় প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে খুন করা হয় শিশু জায়ানকে, ধারণা পুলিশের প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে ‘নামমাত্র’ পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী মামুনুল হক নিয়ে বক্তব্য বাদ, ‘অন্ধকার অংশ’ সংসদের আলোচনায় চান না স্পিকার আট স্টলপোর্টকে বিমানবন্দরে রূপান্তরের উদ্যোগ স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান ‘যার যার ধর্মীয় রীতিতে’ ১৩৩৪৪ জন জুলাই যোদ্ধাকে মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে: মন্ত্রী একদিনে হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু ভারি বৃষ্টি: কয়েক জেলায় নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আভাস ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর কমল তেলের দাম সময় টিভির সাবেক এমডি জোবায়ের কারাগারে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ‘হামাসের তৎপরতা রয়েছে’, দাবি ইসরায়েলি দূতের মুন্সীগঞ্জে বাড়ির উঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থী নেই চুক্তি লঙ্ঘন করলে ইরানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার` হুমকি ট্রাম্পের অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

জাতীয়

গাজীপুরে ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার, আটক ২

 প্রকাশিত: ১৯:১৯, ২৬ নভেম্বর ২০২০

গাজীপুরে ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার, আটক ২

গাজীপুরে পাচারের জন্য রাখা কোবরা সাপের বিষ উদ্ধার করেছে পুলিশের সিআইডি। উদ্ধারকৃত বিষের মূল্য প্রায় ৯ কোটি টাকা। এ সময় ২ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- মো. মামুন তালুকদার (৫১) ও মো. মামুন (৩৩)। সিআইডি বলছে, বাংলাদেশে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো বৈধতা নেই। মূলত সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা।

মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার জানান, গোপন সংবাদে বুধবার রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের প্রধান মামুন তালুকদার ও মো. মামুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি বড় লকার, ৬টি কাচের সদৃশ কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়। বোতলের গায়ে কোবরা স্নেক পয়জন অব ফ্রান্স, রেড কোম্পানি, কোবরা কোড মেড ইন ফ্রান্স লেখা রয়েছে। এ সময় একটি ক্যাটালগ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর গাজীপুর জেলার বাসনা থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ওই মামলার তদন্তে নেমে মূলত মামুন তালুকদারের সন্ধান পাওয়া যায়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেজাউল হায়দার বলেন, মূলত মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকে গোপনে কন্টেইনার কিংবা অন্যকোনো বাহনে অতি মূল্যবান সাপের বিষ নিয়ে আনা হয়। বাংলাদেশ থেকে পাচারকারী চক্র বিশ্বের অন্য দেশে বিষ পাচারের চেষ্টা করছিল। তারা এদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে।

এর সঙ্গে কারা জড়িত এমন প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, সাপের বিষ ক্রয় বিক্রয় বিপুল পরিমাণ অর্থের দরকার হয় এবং এটি ব্যয় বহুলও। বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এগুলো ব্যবহার করে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও তেমন কোনো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির এগুলো ব্যবহারের তথ্য নেই।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল