বুধবার ২৫ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১১ ১৪৩২, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

জ্বালানি সংকট সামলাতে কোভিডকালের নিয়মে ফেরার চিন্তায় এশিয়ার দেশগুলো দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে বাস পদ্মায়, হতাহতের শঙ্কা ২০২৭ সাল থেকে এসএসসির বিষয় কমানোর চিন্তা স্পট মার্কেট থেকে আরো ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার মানিকগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ভাই-বোনের মৃত্যু নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জেনারেল মাসুদকে এবার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ জোবাইদা রহমানের প্রাথমিকের ‘আটকে যাওয়া’ বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ১৫ এপ্রিল যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় ভ্যান্স-রুবিও, ‘শুনতে আগ্রহী’ ইরান মধ্যপ্রাচ্যে আরও ‘তিন-চার হাজার সেনা পাঠাতে যাচ্ছে’ যুক্তরাষ্ট্র কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে ‘জুলাই যোদ্ধা’ নিহত স্বাধীনতা দিবস ঘিরে স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ শর্ত

জাতীয়

গাজীপুরে ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার, আটক ২

 প্রকাশিত: ১৯:১৯, ২৬ নভেম্বর ২০২০

গাজীপুরে ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার, আটক ২

গাজীপুরে পাচারের জন্য রাখা কোবরা সাপের বিষ উদ্ধার করেছে পুলিশের সিআইডি। উদ্ধারকৃত বিষের মূল্য প্রায় ৯ কোটি টাকা। এ সময় ২ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- মো. মামুন তালুকদার (৫১) ও মো. মামুন (৩৩)। সিআইডি বলছে, বাংলাদেশে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো বৈধতা নেই। মূলত সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা।

মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার জানান, গোপন সংবাদে বুধবার রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের প্রধান মামুন তালুকদার ও মো. মামুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি বড় লকার, ৬টি কাচের সদৃশ কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়। বোতলের গায়ে কোবরা স্নেক পয়জন অব ফ্রান্স, রেড কোম্পানি, কোবরা কোড মেড ইন ফ্রান্স লেখা রয়েছে। এ সময় একটি ক্যাটালগ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর গাজীপুর জেলার বাসনা থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ওই মামলার তদন্তে নেমে মূলত মামুন তালুকদারের সন্ধান পাওয়া যায়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেজাউল হায়দার বলেন, মূলত মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকে গোপনে কন্টেইনার কিংবা অন্যকোনো বাহনে অতি মূল্যবান সাপের বিষ নিয়ে আনা হয়। বাংলাদেশ থেকে পাচারকারী চক্র বিশ্বের অন্য দেশে বিষ পাচারের চেষ্টা করছিল। তারা এদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে।

এর সঙ্গে কারা জড়িত এমন প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, সাপের বিষ ক্রয় বিক্রয় বিপুল পরিমাণ অর্থের দরকার হয় এবং এটি ব্যয় বহুলও। বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এগুলো ব্যবহার করে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও তেমন কোনো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির এগুলো ব্যবহারের তথ্য নেই।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল