ব্রেকিং:
১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো চলমান বিধি-নিষিধ বাংলাদেশে ভারতীয় টিকা `কোভ্যাক্সিন` ট্রায়ালের অনুমোদন ছক্কা গ্যালারিতে পড়লেই দিতে হবে ‘নতুন’ বল! চীনে আবারও বাড়ছে করোনা, চলমান লকডাউন বাড়ছে কিনা সিদ্ধান্ত আজ

মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট ও অফিস খোলার সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৪২ লাখ, আক্রান্ত প্রায় ২০ কোটি গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় শনাক্ত কমলেও বেড়েছে মৃত্যু সিডনিতে আরো এক দফা বাড়লো লকডাউন, রাস্তায় নেমেছে সেনা সদস্যরা আজ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস খাবারে বিষক্রিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু, ১৭ শিশু হাসপাতালে রামেক হাসপাতালে করোনা কেড়ে নিল আরও ১৯ জনের প্রাণ আশুলিয়ায় ৫ টাকা ভাড়া বেশি চাওয়ায় অটোচালককে হত্যা!
৯১

মৌসুমি ফল কেন খাওয়া উচিত?

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২১  

চলে গেছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ, তবে এখনো বাজার ছেড়ে যায়নি গ্রীষ্মের রসালো ফলগুলো। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু তরমুজ, জামরুল- গ্রীষ্ম কেবল দাবদাহই ছড়ায় না, উপহার দেয় এমন রসালো ফলও, যা ভুলিয়ে দেয় গরমের ক্লান্তি-অবসাদ। ফলমূল কেবল রসনাকেই তৃপ্ত করে না, যোগায় শক্তিও। আয়ুর্বেদের সূত্র হলো, একটি অঞ্চলে কোনো মৌসুমে যে রোগবালাই হয়ে থাকে তার প্রতিষেধক থাকে সেখানে উৎপন্ন মৌসুমি ফলে।   

অর্থাৎ, আপনি যদি মৌসুমি ফল খান তাহলে আপনার দেহে সেই মৌসুমের রোগগুলো প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বেড়ে যাবে। আমদানিকৃত ফলের চেয়ে দেশজ সিজনাল ফল অধিক স্বাস্থ্যসম্মতও। কারণ হলো দেশি ফলে ক্ষতিকর কেমিকেল ও প্রিজারভেটিভের অনুপস্থিতি। আর করোনাকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে (ইমিউন সিস্টেম) দেশীয় ফল অন্যতম উৎস হতে পারে।

বাজারে পাকা আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, তরমুজ, ডেউয়া, লটকন, কালো জাম, গোলাপ জাম, বেতফল, গাব, জামরুল, আতাফল, কাউ, শরীফাসহ নানা ফলের সমাহার। আর এই সব নানান ফলের গন্ধে মৌ মৌ করছে চারদিক।

বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে (অত্যবশ্যকীয় কারণে) কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়, যাতে সেগুলো দীর্ঘদিন ভালো থাকে। কারণ আমদানি-রপ্তানি, হোলসেল-রিটেইলের পুরো প্রক্রিয়া শেষে ফলগুলো ভোক্তার প্লেট অব্দি পৌঁছাতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যায়। এই প্রিজারভেটিভ শরীরের জন্যে ক্ষতিকর।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ যে খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে: 

বিটা ক্যারোটিন: উজ্জ্বল রঙের ফল, সবজি। যেমন- গাজর, পালংশাক, আম, ডাল ইত্যাদি।

ভিটামিন এ: গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার।

ভিটামিন ই: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদম, বাদাম তেল, বিচি জাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি।

ভিটামিন সি: আমলকী, লেবু, সবুজ মরিচ, করলা ইত্যাদি।


এই বিভাগের আরো খবর