রোববার ২৮ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৪ ১৪৩৩

ব্রেকিং

রোমে ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা: সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ আবরার ফাহাদের নামে বুয়েটে হল হবে: শিক্ষামন্ত্রী শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের কীট’ বললেন রাকসুর নেতা ইসলামী ব্যাংকে অমুসলিমরা চাকরি করতে পারবেন? আলোচনা সংসদে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ছয়জনের মৃত্যু লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকো ফার্মার লেনদেন চালু যমুনায় বাড়ছে পানি ভাঙছে পাড়, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি সিলেটসহ সাত জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার আভাস ৩ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি নিয়েই বিদেশে কথা বলেছি: প্রধানমন্ত্রী রোমে বাংলাদেশি পরিবারের ৩ জন খুন, বাঁচলেন বড় ছেলে ডারবানের পথে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০ ইউরোপে মারাত্মক দাবদাহ, স্পেনে ৩ শতাধিক মৃত্যু

স্বাস্থ্য

মৌসুমি ফল কেন খাওয়া উচিত?

 প্রকাশিত: ১৬:২৯, ২৭ জুন ২০২১

মৌসুমি ফল কেন খাওয়া উচিত?

চলে গেছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ, তবে এখনো বাজার ছেড়ে যায়নি গ্রীষ্মের রসালো ফলগুলো। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু তরমুজ, জামরুল- গ্রীষ্ম কেবল দাবদাহই ছড়ায় না, উপহার দেয় এমন রসালো ফলও, যা ভুলিয়ে দেয় গরমের ক্লান্তি-অবসাদ। ফলমূল কেবল রসনাকেই তৃপ্ত করে না, যোগায় শক্তিও। আয়ুর্বেদের সূত্র হলো, একটি অঞ্চলে কোনো মৌসুমে যে রোগবালাই হয়ে থাকে তার প্রতিষেধক থাকে সেখানে উৎপন্ন মৌসুমি ফলে।   

অর্থাৎ, আপনি যদি মৌসুমি ফল খান তাহলে আপনার দেহে সেই মৌসুমের রোগগুলো প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বেড়ে যাবে। আমদানিকৃত ফলের চেয়ে দেশজ সিজনাল ফল অধিক স্বাস্থ্যসম্মতও। কারণ হলো দেশি ফলে ক্ষতিকর কেমিকেল ও প্রিজারভেটিভের অনুপস্থিতি। আর করোনাকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে (ইমিউন সিস্টেম) দেশীয় ফল অন্যতম উৎস হতে পারে।

বাজারে পাকা আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, তরমুজ, ডেউয়া, লটকন, কালো জাম, গোলাপ জাম, বেতফল, গাব, জামরুল, আতাফল, কাউ, শরীফাসহ নানা ফলের সমাহার। আর এই সব নানান ফলের গন্ধে মৌ মৌ করছে চারদিক।

বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলে (অত্যবশ্যকীয় কারণে) কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়, যাতে সেগুলো দীর্ঘদিন ভালো থাকে। কারণ আমদানি-রপ্তানি, হোলসেল-রিটেইলের পুরো প্রক্রিয়া শেষে ফলগুলো ভোক্তার প্লেট অব্দি পৌঁছাতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যায়। এই প্রিজারভেটিভ শরীরের জন্যে ক্ষতিকর।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ যে খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে: 

বিটা ক্যারোটিন: উজ্জ্বল রঙের ফল, সবজি। যেমন- গাজর, পালংশাক, আম, ডাল ইত্যাদি।

ভিটামিন এ: গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার।

ভিটামিন ই: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদম, বাদাম তেল, বিচি জাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি।

ভিটামিন সি: আমলকী, লেবু, সবুজ মরিচ, করলা ইত্যাদি।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল