শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১ ১৪৩২, ২৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গণভোট: হ্যাঁ ভোট ৬৮.০৬% ভোট পড়েছে ৫৯% আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান: ফখরুল ঢাকার ১৩টি আসন বিএনপির, ৭টি জামায়াত জোটের এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন ফলাফলে ‘গরমিল’, প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ ছিল না’: জামায়াত নিরঙ্কুশ বিজয়ে তারেককে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন তারেককে মোদীর অভিনন্দন, গণতান্ত্রিক-অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের সমর্থনে থাকবে ভারত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি ঐতিহাসিক জয়ে তারেককে অভিনন্দন, এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র খুলনার ৬টি আসনে চারটিতে বিএনপি, দুটিতে জামায়াত জয়ী জামায়াত নেতা সাঈদীর ছোট ছেলে জয়ী, হেরেছেন বড়জন ঢাকা-৮: জিতলেন আব্বাস, পাটওয়ারীর হার ৪৯৮০ ভোটে নওগাঁর ছয় আসনের পাঁচটিতে জয় বিএনপির গোপালগঞ্জের তিন আসনই এখন বিএনপির ঢাকা-১৫: জামায়াত আমিরের জয় ২২ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান বড় ব্যবধানে জয়ী ঢাকা- ১৭: ৪৩৯৯ ভোটে জিতলেন তারেক রহমান

ইসলাম

সূরা ফাতিহার ‍গুরুত্ব ও ফজিলত

 আপডেট: ২০:৫১, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

সূরা ফাতিহার ‍গুরুত্ব ও ফজিলত

সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরা। উম্মুল কুরআন বা কুরআনের মা হিসেবে পরিচিত এ সূরাটি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আমরা ত্রিশ বারের বেশি পাঠ করি। 

সূরা ফাতিহার পাঠ ছাড়া কোনো নামাজ আদায় সম্পূর্ণ হয়না। 

এখানে সূরা ফাতিহার গুরুত্ব সম্পর্কে পাঁচটি হাদীস উল্লেখ করা হলো।

১. 
হযরত আবু সাঈদ আল-মুয়াল্লা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “আমি কি তোমাকে বলবো না কুরআনের সর্বোচ্চ মর্যাদাবান সূরা কোনটি? সেটি হলো ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন’ (সূরা ফাতিহা) যেটি সাত আয়াতের সমষ্টি এবং কুরআন কারীমের অংশ, যা আমাকে দান করা হয়েছে।” (বুখারী)

২. 
হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করবেনা, তার নামাজ কবুল হবেনা।” (বুখারী)

৩. 
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “বারবার পাঠ করা এই সাত আয়াত (সূরা ফাতিহা) হলো কুরআনের মা (উম্মুল কুরআন) ও কুরআনের সারাংশ।” (বুখারী)

৪.
হযরত আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এর কিছু সাহাবী একবার এক বেদুইন গোত্রের কাছে গেলে তারা তাদের মেহমানদারী করা বা কিছু খেতে দেওয়া থেকে বিরত থাকে। সেই গোত্রের নেতা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন তারা রাসূলের সাহাবীদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, “তোমাদের কাছে কোনো ঔষধ আছে কি?” তারা তখন উত্তর দেন, “হ্যা, আছে। কিন্তু তোমরা আমাদের মেহমান হিসেবে গ্রহণ করোনি বা কিছু খেতেও দাওনি। সুতরাং তোমরা কিছু না দেওয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই করবোনা।” তারা তখন একটি ভেড়া দিলে রাসূলের সাহাবীদের মধ্যে একজন গিয়ে সূরা ফাতিহা তেলওয়াত করে আসেন এবং অসুস্থ ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে যায়। 

ঐ সাহাবীরা এসে রাসূল (সা.) কে ঘটনাটি বললে রাসূল (সা.) বলেন, “কিভাবে জানলে এটি (সূরা ফাতিহা) রোগের প্রতিষেধক?” (তিরমিজি)

৫.
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এর সাথে একবার জিবরাইল (আ.) থাকা অবস্থায় আকাশ থেকে তিনি এক শব্দ শুনলেন। জিবরাইল (আ.) তার দৃষ্টি আকাশে তুলে বললেন, “আসমানের একটি দরজা খোলা হয়েছে এবং এটি আগে কখনো খোলা হয়নি।”

সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা রাসূল (সা.) এর কাছে এসে বললেন, “আপনাকে দেওয়া দুই আলোর (নূর) সুসংবাদ গ্রহণ করুন, যা আপনার পূর্বের কোনো নবী-রাসূলকে দেওয়া হয়নি: কিতাবের সূচনা (সূরা ফাতিহা) এবং আল-বাকারার শেষ আয়াতসমূহ। এগুলো তেলওয়াত করে এর কল্যাণ থেকে কখনোই আপনি বঞ্চিত হবেননা।” (মুসলিম)

অনলাইন নিউজ পোর্টাল