আইআরজিসিকে গুঁড়িয়ে দিতে ২০০০ লক্ষ্যস্থলে আঘাত হানা হয়েছে: ইউএস সেন্টকম
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের বাহিনীগুলো ইরানের সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোগুলো গুঁড়িয়ে দিতে প্রায় ২০০০ লক্ষ্যস্থলে আঘাত হেনেছে।
এসব লক্ষ্যস্থলের মধ্যে আছে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, নৌ সম্পদ (ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার খবরসহ) ও অন্যান্য উপাদান যেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ‘আসন্ন হুমকি’ বলে বিবেচনা করে।
গাল্ফ নিউজ জানিয়েছে, এসব লক্ষ্যস্থল ইরানের বিমান বাহিনীর স্থাপনা, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কমান্ড নোড, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণস্থল, রেডার ও এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি, ওমান উপসাগরে নৌ অবকাঠামো এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় বিস্তৃত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ইরানের শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা কমাতে এবং মার্কিন বাহিনী ও স্বার্থের প্রতি হুমকির জবাব দিতে এসব আঘাত হানা হয়েছে।
ছবি ও প্রমাণ
যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিবৃতির সঙ্গে স্যাটেলাইট ছবি ও গোপনীয় নয় এমন ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। সেগুলোতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, ইরানের বিভিন্ন শহরে ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ও ধ্বংস হয়ে যাওয়া সামরিক অবকাঠামো দেখা গেছে।
সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযান শুরু হওয়ার পর প্রথম ১২ ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ বিমান হামলা চালানো হয়েছে। লক্ষ্যস্থল নির্ধারণে অত্যাধুনিক এআই-সহায়তা আঘাত হানার গতি বৃদ্ধিতে ও নির্ভুলতায় নাটকীয় উন্নতি এনেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে ইরানি লক্ষ্যস্থলগুলোতে একের পর এক হামলা শুরু করে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী।