রোববার ০৮ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৪ ১৪৩২, ১৯ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হরমুজ প্রণালি ছেড়ে আসা ১২ জাহাজ চট্টগ্রামে সীমিতভাবে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে পদযাত্রা, চানখারপুলে দুজন আটক ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রী হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী, নেই অর্ধেক চিকিৎসক মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২৬৮ ফ্লাইট ইরানে স্থল অভিযানে নামার আভাস কুর্দি সংগঠনের যুদ্ধ গড়াল দ্বিতীয় সপ্তাহে, ট্রাম্প চান ইরানের `নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ` ইরানে ভয়াবহ বিমান হামলা: নিহত ১৩০০ ছাড়ানোর আশঙ্কা রাতভর ৮০ যুদ্ধবিমান থেকে ইরানে গোলাবর্ষণ এবার তেহরানে প্রাইমারি স্কুলে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রাতে ইরানে ‘সবচেয়ে বেশি বোমাবর্ষণ’ হবে, মার্কিন অর্থমন্ত্রীর পূর্বাভাস

ইসলাম

হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ কি কুরআনে নুকতা যোগ করেছিলেন?

 প্রকাশিত: ০৮:৫২, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ কি কুরআনে নুকতা যোগ করেছিলেন?

প্রশ্ন. আমাকে একজন বলেছেন, পবিত্র কুরআনের যের, যবর, পেশ ও নুকতা খলীফা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ নিজ হাতে লিখেছেন। এ কথাটি আমার বোধগম্য হচ্ছে না। এত বড় অত্যাচারী শাসক এ মহৎ কাজের উদ্যোগ কীভাবে নিল? সত্যিই কি তিনি এই কাজ করেছেন?

উত্তর. হযরত উসমান রা. যে মুসহাফ তৈরি করেছেন তাতে হরফসমূহে নুকতা ও হরকত যের, যবর ও পেশ ছিল না। পরবর্তীতে কে এই মহৎ কাজটি করেছেন-এ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মাঝে মতভেদ আছে। তবে আল্লামা তকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম ‘উলূমুল কুরআন’-এ বলেন, এ সম্পর্কিত সকল বর্ণনা সামনে রাখলে প্রতীয়মান হয় যে, হরকত (যের, যবর ও পেশ) সর্বপ্রথম হযরত আবুল আসওয়াদ দুয়ালী রাহ. আবিষ্কার করেন। কিন্তু হরকতের রূপ এখন যেমন দেখা যায় তেমন ছিল না। তখন ছিল ফোঁটার মতো। যবরের জন্য উপরে এক ফোঁটা দেওয়া হত, যেরের জন্য নিচে এক ফোঁটা আর পেশের জন্য সামনে এক ফোঁটা দেওয়া হত। তানভীনের জন্য দুই ফোঁটা ব্যবহৃত হত। এরপর খলীল বিন আহমদ রাহ. হামযাহ ও তাশদীদের বর্তমান রূপটি আবিষ্কার করেন। এরপর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ইয়াহইয়া বিন ইয়ামার রাহ. ও নাসর বিন আসেম রাহ.-এর মাধ্যমে কুরআনে কারীমে হরফসমূহে নুকতা লাগানোর ব্যবস্থা করেন। এই সময়ই মূলত নুকতা ও হরকতের পার্থক্যের উদ্দেশ্যে হরকতের বর্তমান রূপটি অবলম্বন করা হয়।

আলইতকান ২/৪১৯; সুবহুল আ‘শা ৩/১৬০-১৬১; আলবুরহান ১/২৫০; উলূমুল কুরআন পৃ. ১৯৫

মাসিক আলকাউসার