রমজান উপলক্ষে জীবিত পশু আমদানি করবে ইন্দোনেশিয়া
আগামী রমজানের চাহিদা মাথায় রেখে অস্ট্রেলিয়া থেকে জীবিত পশু আমদানি করবে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির আঞ্চলিক সরকারের মালিকানাধীন খাদ্য কম্পানি পেরুমদা ধর্মা জয়ার মাধ্যমে সাড়ে সাত হাজার জীবিত পশু আমদানি করবে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, রমজানে মুসলমানদের মাংসের চাহিদার সঙ্গে খাদ্য সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখা।
ধর্মা জয়ার প্রধান পরিচালক রাদিত্য এন্দ্রা বুদিমান জানান, এই আমদানি পরিকল্পনাটি বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানির সুপারিশ পাওয়া গেলেও মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছি। আশা করছি জানুয়ারির শেষ নাগাদ এটি পাওয়া যাবে। অনুমতি মিললেই আমরা কেনাকাটার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।’
তিনি আরো বলেন, জীবিত গবাদিপশু আমদানির অনুমতিপত্র প্রতি বছর নবায়ন করতে হয় এবং আগের বছরের অনুমতি পরবর্তী বছরে বহাল থাকে না। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুমোদন পাওয়া গেলে ফেব্রুয়ারি থেকেই কেনাকাটা শুরু করা সম্ভব হবে এবং লেনদেন শেষ হওয়ার দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে গবাদিপশু পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমান ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে গবাদিপশু আমদানি করা হবে। বর্তমানে বান্তেন প্রদেশের সেরাংয়ে অবস্থিত ধর্মা জয়ার গবাদিপশু রাখার স্থাপনায় প্রায় এক হাজার তিন শটি পশু রাখা সম্ভব। রাদিত্য বলেন, প্রাথমিক ধাপে মোট সাড়ে সাত হাজারের মধ্যে প্রায় ৭৫০টি গবাদিপশু আসবে।
জাকার্তার পাশাপাশি বোগোর, বান্তেন এবং পশ্চিম জাভার অন্যান্য অঞ্চল থেকেও অর্ডার আসায় চাহিদা বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, স্থানীয় গবাদিপশুর তুলনায় উন্নত জিনগত বৈশিষ্ট্য ও মানের কারণে আমদানিকৃত গবাদিপশুর চাহিদা বেশি। রাদিত্য বলেন, আমদানিকৃত গবাদিপশুর চাহিদা সরাসরি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই আসে। আমরা বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ সমন্বয় করি।