বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২০ ১৪৩২, ১৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খামেনির পর ইসরায়েলের নিশানায় পেজেশকিয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তরে হামলা বাড়তে পারে ঈদের ছুটি, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা সব জেলায় জিলা স্কুল হবে: শিক্ষামন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধে বাড়ছে তেলের মূল্য বৃদ্ধির শঙ্কা সৌদি আরামকোতে ড্রোন হামলায় ইসরায়েলকে দায়ী করল ইরান, বলল ছদ্মবেশী অভিযান দুদক চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশনের পদত্যাগ নিজেকে এক বছরের জন্য ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস চার দিনে শাহজালাল ও শাহ আমানতে ১৮২ ফ্লাইট বাতিল কণ্ঠশিল্পী আসিফের মদের মামলার রায় ৯ মার্চ স্টারমারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঈদযাত্রা: ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু ফের বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২৭৭৪২৮ টাকা ইরানের সরাসরি হামলায় কুয়েতে ৬ মার্কিন সেনা নিহত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: রিয়াদের ঘটনায় ‘খুব শিগগির` জবাব দেওয়া হবে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা এটি অনন্ত যুদ্ধ নয় বরং শান্তির প্রবেশদ্বার: নেতানিয়াহু

শিশু

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাবু কুড়িগ্রাম

 প্রকাশিত: ১৮:২৫, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাবু কুড়িগ্রাম

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ, বিশেষ করে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে পড়েছে কাহিল।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। তাপমাত্রা কম থাকায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, জেলার নয়টি উপজেলায় এ পর্যন্ত ২৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের জন্য নতুন করে আর কোনো বরাদ্দ এখনো পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় ১৬ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। জেলার ৪৬৯টি চর এলাকার মধ্যে ২৬৯টি চরে বসবাসরত মানুষ শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।

চরাঞ্চলের বাসিন্দা চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা চরের বৃদ্ধ আলাউদ্দিন (৬৫) বলেন, রাতে ঠান্ডায় ঘুমানো যায় না। পুরনো একটা কাঁথা দিয়েই কোনো রকমে দিন কাটাচ্ছি। নতুন কম্বল না পেলে কষ্ট আরও বাড়বে।

নাগেশ্বরীর বেরুবাড়ি এলাকার গৃহবধূ রহিমা বেগম বলেন, শীতের কারণে ছোট ছেলেমেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কাজও ঠিকমতো করা যাচ্ছে না। দ্রুত শীতবস্ত্র সহায়তা দরকার।

স্থানীয়রা জানান, শীতের তীব্রতা আরও বাড়লে বয়স্ক, শিশু ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। দ্রুত নতুন করে শীতবস্ত্র বরাদ্দ ও বিতরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।