বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২ ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘এবার গুলি ফস্কাবে না’, ট্রাম্পের রক্তাক্ত ছবি দেখিয়ে হুমকি ইরানের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ হচ্ছে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে এবার মামলা করছে দুদক হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্তে সিআইডি অধ্যাদেশের দাবিতে সোমবার থেকে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি, অনড় শিক্ষার্থীরা চলন্ত বাসে ছাত্রীকে রাতভর ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’, চালক-হেলপারসহ আটক ৩ কয়েক ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর আকাশসীমা আবার খুলেছে ইরান এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ, তেহরানের দাবি: ফাঁসির পরিকল্পনা নেই ট্রাম্পের ‘যুদ্ধক্ষমতা সীমিত’ লক্ষ্য থেকে সরে এল সিনেট ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: অধ্যাদেশের দাবিতে ফের সড়কে সাত কলেজ পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোটের বাধা কাটল হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলা আপিলের কার্য তালিকায় বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

শিশু

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাবু কুড়িগ্রাম

 প্রকাশিত: ১৮:২৫, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাবু কুড়িগ্রাম

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ, বিশেষ করে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে পড়েছে কাহিল।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। তাপমাত্রা কম থাকায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, জেলার নয়টি উপজেলায় এ পর্যন্ত ২৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের জন্য নতুন করে আর কোনো বরাদ্দ এখনো পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় ১৬ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। জেলার ৪৬৯টি চর এলাকার মধ্যে ২৬৯টি চরে বসবাসরত মানুষ শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।

চরাঞ্চলের বাসিন্দা চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা চরের বৃদ্ধ আলাউদ্দিন (৬৫) বলেন, রাতে ঠান্ডায় ঘুমানো যায় না। পুরনো একটা কাঁথা দিয়েই কোনো রকমে দিন কাটাচ্ছি। নতুন কম্বল না পেলে কষ্ট আরও বাড়বে।

নাগেশ্বরীর বেরুবাড়ি এলাকার গৃহবধূ রহিমা বেগম বলেন, শীতের কারণে ছোট ছেলেমেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কাজও ঠিকমতো করা যাচ্ছে না। দ্রুত শীতবস্ত্র সহায়তা দরকার।

স্থানীয়রা জানান, শীতের তীব্রতা আরও বাড়লে বয়স্ক, শিশু ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। দ্রুত নতুন করে শীতবস্ত্র বরাদ্দ ও বিতরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।