শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হরমুজ প্রণালি ছেড়ে আসা ১২ জাহাজ চট্টগ্রামে সীমিতভাবে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে পদযাত্রা, চানখারপুলে দুজন আটক ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রী হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী, নেই অর্ধেক চিকিৎসক মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২৬৮ ফ্লাইট ইরানে স্থল অভিযানে নামার আভাস কুর্দি সংগঠনের যুদ্ধ গড়াল দ্বিতীয় সপ্তাহে, ট্রাম্প চান ইরানের `নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ` ইরানে ভয়াবহ বিমান হামলা: নিহত ১৩০০ ছাড়ানোর আশঙ্কা রাতভর ৮০ যুদ্ধবিমান থেকে ইরানে গোলাবর্ষণ এবার তেহরানে প্রাইমারি স্কুলে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রাতে ইরানে ‘সবচেয়ে বেশি বোমাবর্ষণ’ হবে, মার্কিন অর্থমন্ত্রীর পূর্বাভাস

ইসলাম

পর পর তিন জুমা নামাজ না পড়লে যা হয়

 প্রকাশিত: ১০:২৪, ৫ আগস্ট ২০২২

পর পর তিন জুমা নামাজ না পড়লে যা হয়

জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে।

আল্লাহ তা'আলা কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচা-কেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমা- ০৯)।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় সত্ত্বেও অনেকে জুমার নামাজে অবহেলা করে। অযথা ও বিনা কারণে কখনও জুমার নামাজ না পড়া ঠিক নয়। এ ব্যাপারে শরিয়তে কঠোর সতর্কবাণী এসেছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত পর পর তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহতায়ালা তার অন্তরে মোহর এঁটে দেন।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৫২; তিরমিজি, হাদিস : ৫০২; মুসলিম, হাদিস : ১৯৯৯)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পর পর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পেছনের দিকে নিক্ষেপ করল। (মুসলিম)।

তবে অপর এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতীত জুমার নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হলো- ক্রীতদাস, স্ত্রীলোক, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন মসজিদে কথাবার্তা বলে, অথচ ইমাম সে সময় খুতবাহ দিচ্ছে- এ ব্যক্তি গাধার মতো; যে শুধু বোঝা টানে (অথচ তা থেকে উপকৃত হতে পারে না)। আর যে লোক তাকে ‘চুপ করুন’ তার জন্যও জুমা নেই (অর্থাৎ তার জুমাও হয়নি অথবা জুমার উদ্দেশ্য সফল হয়নি। কারণ সে নিজেও চুপ থাকেনি)।’ (মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত)