বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৫ ১৪৩২, ০৯ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জামায়াতের দুই মন্ত্রী তখন কেন পদত্যাগ করেনি, প্রশ্ন তারেক রহমানের মির্জা আব্বাসের ‘বহিষ্কার চান’ পাটওয়ারী মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে টেকনাফে ২ কিশোর আহত স্কুলে শিশু নির্যাতন: পবিত্র কুমার ৪ দিনের রিমান্ডে নির্বাচন: তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল আবু সাঈদ হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ, রায় যে কোনো দিন নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা নির্বাচন অস্থিতিশীল করার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারের ভোটের পথ খুলল মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া ‘চরম অপমান’: জামায়াত আমির রাষ্ট্রপতি ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: সেই জামায়াত নেতা বহিষ্কার একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারিই, কমবে স্টল ভাড়া প্রবাসীদের সাড়ে ২১ হাজার ব্যালট দেশে পৌঁছেছে তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যু ২০

ইসলাম

পর পর তিন জুমা নামাজ না পড়লে যা হয়

 প্রকাশিত: ১০:২৪, ৫ আগস্ট ২০২২

পর পর তিন জুমা নামাজ না পড়লে যা হয়

জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে।

আল্লাহ তা'আলা কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচা-কেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমা- ০৯)।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় সত্ত্বেও অনেকে জুমার নামাজে অবহেলা করে। অযথা ও বিনা কারণে কখনও জুমার নামাজ না পড়া ঠিক নয়। এ ব্যাপারে শরিয়তে কঠোর সতর্কবাণী এসেছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত পর পর তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহতায়ালা তার অন্তরে মোহর এঁটে দেন।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৫২; তিরমিজি, হাদিস : ৫০২; মুসলিম, হাদিস : ১৯৯৯)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পর পর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পেছনের দিকে নিক্ষেপ করল। (মুসলিম)।

তবে অপর এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতীত জুমার নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হলো- ক্রীতদাস, স্ত্রীলোক, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন মসজিদে কথাবার্তা বলে, অথচ ইমাম সে সময় খুতবাহ দিচ্ছে- এ ব্যক্তি গাধার মতো; যে শুধু বোঝা টানে (অথচ তা থেকে উপকৃত হতে পারে না)। আর যে লোক তাকে ‘চুপ করুন’ তার জন্যও জুমা নেই (অর্থাৎ তার জুমাও হয়নি অথবা জুমার উদ্দেশ্য সফল হয়নি। কারণ সে নিজেও চুপ থাকেনি)।’ (মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত)