শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হরমুজ প্রণালি ছেড়ে আসা ১২ জাহাজ চট্টগ্রামে সীমিতভাবে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট চালু ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে পদযাত্রা, চানখারপুলে দুজন আটক ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রী হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী, নেই অর্ধেক চিকিৎসক মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২৬৮ ফ্লাইট ইরানে স্থল অভিযানে নামার আভাস কুর্দি সংগঠনের যুদ্ধ গড়াল দ্বিতীয় সপ্তাহে, ট্রাম্প চান ইরানের `নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ` ইরানে ভয়াবহ বিমান হামলা: নিহত ১৩০০ ছাড়ানোর আশঙ্কা রাতভর ৮০ যুদ্ধবিমান থেকে ইরানে গোলাবর্ষণ এবার তেহরানে প্রাইমারি স্কুলে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রাতে ইরানে ‘সবচেয়ে বেশি বোমাবর্ষণ’ হবে, মার্কিন অর্থমন্ত্রীর পূর্বাভাস

জাতীয়

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

 প্রকাশিত: ১৮:৫৭, ৭ মার্চ ২০২৬

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ইউপিডিএফের এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে।

ইউপিডিএফ খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পানছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, “ঘটনা সত্য। তবে লাশ আমরা এখনো খুঁজে পাইনি। লাশ উদ্ধারের করতে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। দুর্গম এলাকা হওয়ার কারণে লাশ উদ্ধার করতে দেরি হচ্ছে।”

নিহত কর্মীর নাম আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) বলে জানিয়েছে ইউপিডিএফ। তিনি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।

ইউপিডিএফের বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসকে দায়ী করে বলা হয়েছে, “সন্তু গ্রুপের ১৫-২০ সশস্ত্র সন্ত্রাসী বড়কোণা এলাকায় প্রবেশ করে ওত পেতে থাকে। এ সময় আপন ত্রিপুরা সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে তাদের সামনে পড়ে যায়। এতে সন্ত্রাসীরা তাকে খুব কাছ থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করে।”

ইউপিডিএফ ‘কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক’ এই ঘটনার আইনগত পদক্ষেপ দাবি করেছে।

তবে ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি- জেএসএসের সহতথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা।

তিনি বলেন, “জনসংহতি সমিতির কোনো সদস্যের সঙ্গে এই ঘটনার সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা যতটুকু খবর পেয়েছি, ইউপিডিএফের একটি সশস্ত্র দল প্রতিপক্ষের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। যুদ্ধে তাদের কেউ গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এর সঙ্গে জনসংহতি সমিতিকে দোষারোপ করা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”