বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৩ ১৪৩২, ১৭ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পাচ্ছে ইরানের নারীরা যাদের শুরু ‘অনৈতিকতায়’, তারা সৎ শাসন দেবে কীভাবে: তারেক রহমান ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান ভোটের পরিবেশ ‘তুলনামূলক ভালো আছে’: ইসি মাছউদ জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী ১৭ মাসে সহিংসতায় নিহত ১৯৫ ইসলামী আন্দোলনের ৩০ দফা ইশতেহার, শরীয়াহকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি একটা গোষ্ঠী আমার পেছনে লেগেছে: জামায়াত আমির নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান ‘রাজনীতি করেন, কিন্তু মিথ্যা বলবেন না’, জামায়াতের উদ্দেশে ফখরুল নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারের সংঘর্ষ: গুলিতে কিশোরের মৃত্যু রাফা খোলার তিন দিন পর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২১ বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ২০০ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত প্রার্থীর মৃত্যু, শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত জামায়াত আমিরের এক্স `হ্যাকড`: বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার আটক এনসিটি ইজারা ইস্যুতে বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, অচলাবস্থা তেল বিক্রির ৫০ কোটি ডলার ভেনেজুয়েলাকে ফিরিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পাচ্ছে ইরানের নারীরা

 প্রকাশিত: ১০:৫১, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পাচ্ছে ইরানের নারীরা

ইরানের নারীরা এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স নিতে পারবেন বলে বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দুই চাকার যানবাহন চালানোর ব্যাপারে দীর্ঘদিনের আইনি অস্পষ্টতার অবসান ঘটল।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

আগের আইনে নারীদের মোটরবাইক ও স্কুটার চালানো স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা না হলেও কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স দিতে অস্বীকৃতি জানাতো। আইনি অস্পষ্টার কারণে নারীরা দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তাদের নিজেদের দায়ভার বহন করতে হতো।

ট্রাফিক আইন স্পষ্ট করে ইরানের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ মঙ্গলবার একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন। জানুয়ারির শেষ দিকে ইরানের মন্ত্রিসভা এ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বলে দেশটির ইলনা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।

ইলনা জানিয়েছে, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশ নারী আবেদনকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা আয়োজন এবং নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

সম্প্রতি ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন এসেছে। তেহরান স্বীকার করেছে, বিক্ষোভ চলাকালে ৩ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে তারা দাবি করেছে, নিহতের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং পথচারী।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা নানা সামাজিক বিধিনিষেধের মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ড্রেস কোড মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

ইরানে নারীদের জনসম্মুখে মাথায় ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে চলতে হয় এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হয়। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক নারী এসব নিয়ম মানছেন না এবং মোটরবাইকে নারীদের সংখ্যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দ্রুত বেড়েছে।

ইরানে পুলিশি হেফাজতে তরুণী মাহশা আমিনির মৃত্যুর ঘটনার পর এই প্রবণতা বেড়ে যায়। এই ইরানি নারীকে ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে নারীদের স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।