শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৬ ১৪৩২, ০১ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

চাঁদ দেখা যায়নি, রোজার ঈদ শনিবার তারেককে ঈদ শুভেচ্ছা মোদীর সকাল-বিকেল কমছে সোনা-রূপার দাম ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ‘তুলনামূলক স্বস্তি’ উত্তরায় ছিনতাইকারীর হেঁচকা টানে রাস্তায় পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ নিলেন ট্রাম্প কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদযাত্রা: গাজীপুর মহাসড়কে যানজট ও অতিরিক্ত ভাড়ায় নাকাল ঘরমুখো মানুষ সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা: দুই নৌযানের রুট পারমিট বাতিল, গঠন তদন্ত কমিটি কুয়েতে যুদ্ধ পরিস্থিতি: ঈদ উৎসবেও বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইরানের পাল্টা হামলায় কাঁপল সৌদি-কাতার-কুয়েত-বাহরাইন আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে ঈদ উপলক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ইরানি গ্যাস হামলার জবাবে তেহরানের পাল্টা আঘাত

স্বাস্থ্য

লিচুর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা জেনে নিন ?

 প্রকাশিত: ০৯:৪৩, ২৪ মে ২০২২

লিচুর পুষ্টিগুণ  ও উপকারিতা জেনে নিন ?

বাজারে বাজারে এখন দেখা মিলছে মৌসুমি ফল লিচুর। গ্রীষ্মকালীন এ রসালো ফল খুব কম সময়ের জন্য আসে। শুধু স্বাদই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর এ ফল। নানা রকম অসুখ থেকে দূরে রাখে এ ফল।

তবে লিচুতে কী কী খাদ্যগুণ আছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক মৌসুমী এই ফলটির খাদ্যগুণ সম্পর্কে-

* লিচুতে রয়েছে ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুর ৬৬ ভাগই হলো ক্যালোরি।

* এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে জমা করে।

* লিচুতে রয়েছে অলিগোনল নামের এক ধরনের উপাদান। একে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ উপাদান রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, ত্বকে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমায়।

* লিচু ক্যান্সার থেকে মানবদেহকে দেয় সুরক্ষা। এটি ক্যান্সার তৈরিকারী কোষ ধ্বংস করে। এতে অবস্থিত ফ্ল্যাভনয়িডস বা ভিটামিন ‘পি’ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

* শরীর সুস্থ থাকার জন্য অপরিহায্য ভিটামিন ‘সি’। লিচুতে এ ভিটামিন রয়েছে প্রচুর; যা ত্বক, হাড় এবং কোষের সজীবতা রক্ষা করে। হৃদরোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন ‘সি’ অব্যর্থ বলেই বিবেচিত।

* ভিটামিন ‘বি’-এর মজুতঘর হিসেবে লিচুকে ধরা হয়।থিয়ামিন, নিয়াসিন নামের ভিটামিনগুলো লিচুকে করেছে আরো বেশি কার্যকর। এসব ভিটামিন শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায়। এতে অবস্থিত পটাসিয়াম এবং খনিজের মতো উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।