মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৩ ১৪৩২, ২৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ ইরানের নিরাপত্তা প্রধান লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের পহেলা বৈশাখে সাড়ে ২১ হাজার কৃষক কার্ড দিচ্ছে সরকার কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী বাগদাদে দূতাবাসে হামলা, নিহত ৪ তেল অবরোধে অন্ধকারে কিউবা, ‘দখল’ নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের ঈদের সাত দিনের ছুটি শুরু, রাজধানী ছাড়ছে মানুষ ট্রাম্পের সামনে ২ পথ, দুটোই বিপদে ভরা সর্বকালের সর্বোচ্চ দরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ১২ হাজার ফ্লাইট বাতিল, অচলাবস্থা আফগানিস্তানের হাসপাতালে ‘পাকিস্তানের হামলা’, বহু হতাহত

ইসলাম

শপিং, গ্রামে ফেরার তাড়া যেন রমাদানের শেষ মুহূর্তের তাৎপর্য ভুলিয়ে না দেয়’

 প্রকাশিত: ১৭:৩২, ১৭ মার্চ ২০২৬

শপিং, গ্রামে ফেরার তাড়া যেন রমাদানের শেষ মুহূর্তের তাৎপর্য ভুলিয়ে না দেয়’

মাহে রমজান শেষের পথে। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সারা দেশে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা এবং নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি। তবে এই ব্যস্ততার ভিড়ে রমজানের শেষ মুহূর্তের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও ইবাদত যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাসে তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি এই আহ্বান জানান। শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘শপিং এবং গ্রামে ফেরার তাড়া যেন রমাদানের শেষ মুহূর্তের তাৎপর্য ভুলিয়ে না দেয়।’

পাশাপাশি আপন কমেন্ট বক্সে শায়খ আহমাদুল্লাহ লেখেন, রমাদানের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেলেও রহমতের দুয়ার এখনো খোলা। অতএব, শেষ মুহূর্তগুলো অবহেলায় না কাটিয়ে ক্ষমা লাভ ও আল্লাহর প্রিয় হয়ে ওঠার চূড়ান্ত চেষ্টা করি। মহান আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা ও নাজাত পাওয়া সৌভাগ্যবান মানুষদের তালিকায় ঠাঁই দিন।

প্রতি বছরই রমজানের শেষ দশকে কেনাকাটা এবং বাড়ি ফেরার ব্যস্ততা বহুগুণ বেড়ে যায়। বিপণিবিতানগুলোতে রাতভর চলে ভিড়, আর টার্মিনালগুলোতে দেখা দেয় ঘরে ফেরা মানুষের জনস্রোত। এই কর্মব্যস্ততার কারণে অনেক সময় রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো, বিশেষ করে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানের আমল এবং শেষ দশকের নিভৃত ইবাদত অবহেলায় অতিবাহিত হয়।

শায়খ আহমাদুল্লাহর এই বার্তাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নেটিজেনদের অনেকেই এই মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলছেন, ঈদের প্রস্তুতির চেয়েও বড় প্রস্তুতি হওয়া উচিত পরকালের এবং রমজানের শেষ রাতগুলোর সওয়াব হাসিলের।

উল্লেখ্য, ইসলামি বিধান অনুযায়ী রমজানের শেষ ১০ দিন অত্যন্ত গুরুত্ববহ। এই দিনগুলোতে রাসুলুল্লাহ (স.) ইবাদতে অধিক সচেষ্ট হতেন এবং পরিবার-পরিজনকেও ইবাদতের নির্দেশ দিতেন। আলেমদের মতে, ঈদের আনন্দ উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া দোষের কিছু নয়, তবে তা যেন রমজানের মূল নির্যাস- তাকওয়া অর্জন ও ক্ষমা পাওয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য।