মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১০ ১৪৩২, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অর্ধশত এবার ঘাট দখল নিয়ে দুগ্রামবাসীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পাবনা, আহত অর্ধশত রমজানের ঘাটতি পূরণে ১০ শনিবার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা ট্রাম্পের বিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের ইস্পাহান জ্বালানিকেন্দ্রে হামলা মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৫ দিনের রিমান্ডে জুলাই দায়মুক্তি অধ্যাদেশে ‘সবাই একমত’: সালাহউদ্দিন জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৯০ টাকা বাড়লো বিদেশগামী শিক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার পুঁজিবাজারে একদিনে সূচক কমল ৬৮ পয়েন্ট `হঠাৎ` চাহিদা বাড়ায় সারাদিনের তেল শেষ হচ্ছে তিন ঘণ্টায়: জ্বালানি মন্ত্রী মাসুদ উদ্দিন মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার, আছে হত্যাসহ ১১ মামলা: ডিবি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফিরতে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট নাটোরে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৩ আবারও প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালো

অর্থনীতি

দেশীয় ওষুধ কোম্পানি রেনাটাকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে আইএফসি

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২২:৫৮, ৯ মে ২০২৫

দেশীয় ওষুধ কোম্পানি রেনাটাকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে আইএফসি

রেনাটাকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে আইএফসি, বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি রেনাটাকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইএফসি (ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন)। গতকাল, বৃহস্পতিবার, এই বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে। আইএফসি ৫ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করবে, যা প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সমান।

এ চুক্তির মাধ্যমে রেনাটা দেশের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ওষুধ সরবরাহের সক্ষমতা আরও বাড়াতে পারবে। এছাড়া, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এ অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে দেশের প্রায় সব চাহিদা পূরণ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও কার্যক্রম বাড়াচ্ছে।

আইএফসি মনে করে, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের জেনেরিক ওষুধ খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশের অবদান আরও দৃঢ় করবে।

রেনাটার সিইও সৈয়দ এস কাইসার কবির বলেছেন, আইএফসির সহায়তা তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলে স্থিতিশীলতা আনবে। আইএফসির আঞ্চলিক পরিচালক ইমাদ এন ফাখুরি জানিয়েছেন, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের ওষুধশিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং বৈশ্বিক জেনেরিক ওষুধের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করবে।