মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৬ ১৪৩২, ২১ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

আমিরের উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের চিঠির ব্যাখ্যা দিল জামায়াত নানকের সহকারী বিপ্লবের নির্দেশে হাদিকে হত্যা, জবানবন্দিতে রুবেল থাইল্যান্ডে জ্বালানি সাশ্রয়ে সিঁড়ি ব্যবহার ও বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ ইরান তেল রপ্তানিতে বাধা দিলে ‘২০ গুণ কঠোর’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের নেতানিয়াহু নিহত? ইরান ও ইসরায়েলের মিডিয়া যুদ্ধ নেতানিয়াহুর মৃত্যুর সংবাদ ইরানি মিডিয়ায় চরমপপন্থিরা আবার আগের অবস্থায় ফিরছে: র‌্যাব প্রসিকিউটরদের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: প্রধান কৌঁসুলি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসীদের কল্যাণে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন নতুন নেতৃত্বে ইসরাইলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন নেতা টিকবেন না’: ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নিলেন পাঁচ ইরানি নারী ফুটবল খেলোয়াড় প্রতিশ্রুতি পূরণ, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাইড শেয়ারিং বাইকে দিনে ৫ লিটার তেল দেওয়ার নির্দেশ ইরানের পক্ষে পোস্ট: বাহরাইনে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এশিয়ার পুঁজিবাজার খুব শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প ইরানের প্রতি কড়া বার্তা এরদোগানের

জাতীয়

আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩১ বিলিয়নে নামলো

 প্রকাশিত: ১১:০৫, ১০ নভেম্বর ২০২৫

আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩১ বিলিয়নে নামলো

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর দুই মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। 

রোববার (৯ নভেম্বর) ১৬১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে আকুভুক্ত দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়। আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।
গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। আকুর ১.৬১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর তা ৩১ বিলিয়নে নেমে আসে। তারপরও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ইতিহাসে ২০২২ সালের আগস্টে রিজার্ভ উঠেছিল সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলারে। এরপর আওয়ামী সরকারের সময়ে রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার কারণে রিজার্ভে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। প্রতি মাসে রিজার্ভ কমতে কমতে সরকার পতনের আগে গত বছরের জুলাই শেষে তা ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে অর্থ পাচার রোধে কঠোর হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসময়ে বৈদেশিক ঋণের কিছু ডলারও যুক্ত হয়। বিগত আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়াও পরিশোধ করে এ সময়ে। এরপরও রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।

চলতি মাসের ৬ নভেম্বর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার ছিল। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভ ২৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।

সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেক্ষেত্রে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসাবে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে।