শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৬ ১৪৩২, ০১ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

নেতানিয়াহুর সাফল্যের দাবি, ইরানের পাল্টা হামলা যুদ্ধবিরতির পরই হরমুজে সহায়তা দেবে ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স চাঁদ দেখা যায়নি, রোজার ঈদ শনিবার তারেককে ঈদ শুভেচ্ছা মোদীর সকাল-বিকেল কমছে সোনা-রূপার দাম ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ‘তুলনামূলক স্বস্তি’ উত্তরায় ছিনতাইকারীর হেঁচকা টানে রাস্তায় পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ নিলেন ট্রাম্প কখন কোথায় ঈদের জামাত ঈদযাত্রা: গাজীপুর মহাসড়কে যানজট ও অতিরিক্ত ভাড়ায় নাকাল ঘরমুখো মানুষ সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা: দুই নৌযানের রুট পারমিট বাতিল, গঠন তদন্ত কমিটি কুয়েতে যুদ্ধ পরিস্থিতি: ঈদ উৎসবেও বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইরানের পাল্টা হামলায় কাঁপল সৌদি-কাতার-কুয়েত-বাহরাইন আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে ঈদ উপলক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ইরানি গ্যাস হামলার জবাবে তেহরানের পাল্টা আঘাত

জাতীয়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

 প্রকাশিত: ২১:২৮, ৮ মে ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে এর যথাযথ সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএলএ) এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)। বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটি এই দাবি তুলে ধরে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রধান সংস্থা হিসেবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে ১৬৬ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ থেকে শুরু করে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকায়, যেখানে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১৪ শতাংশ।

তবে সাম্প্রতিক একটি খসড়া অধ্যাদেশে এনবিআর বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশের ধারা ১৩ উপধারা (১) অনুযায়ী, এটি কার্যকর হলে ১৯৭২ সালের ‘প্রেসিডেন্ট’স অর্ডার নম্বর ৭৬’ রহিত হবে এবং এনবিআর বিলুপ্ত হবে।

এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে কর আইনজীবীরা বলেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তি নয়, বরং প্রয়োজন যথাযথ সংস্কার। রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অংশীজন হিসেবে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা মতামত গ্রহণ ছাড়াই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অগণতান্ত্রিক ও দুরভিসন্ধিমূলক।”

তারা আরও বলেন, “জাতি জানতে চায়, কোন স্বার্থে এই খসড়া অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোনো ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান নয় বরং এটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।”

কর আইনজীবীদের মতে, এনবিআরকে বিলুপ্ত না করে বরং আয়কর নীতি বিভাগকে শক্তিশালীকরণ, টেকসই রাজস্বনীতি প্রণয়ন, আইনি সংস্কার, আধুনিকায়ন ও অটোমেশনসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করাই সময়ের দাবি।

তারা অবিলম্বে এই বিতর্কিত অধ্যাদেশ বাতিল করে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।