শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

জাতীয়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

 প্রকাশিত: ২১:২৮, ৮ মে ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে এর যথাযথ সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএলএ) এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)। বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটি এই দাবি তুলে ধরে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রধান সংস্থা হিসেবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে ১৬৬ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ থেকে শুরু করে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকায়, যেখানে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১৪ শতাংশ।

তবে সাম্প্রতিক একটি খসড়া অধ্যাদেশে এনবিআর বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশের ধারা ১৩ উপধারা (১) অনুযায়ী, এটি কার্যকর হলে ১৯৭২ সালের ‘প্রেসিডেন্ট’স অর্ডার নম্বর ৭৬’ রহিত হবে এবং এনবিআর বিলুপ্ত হবে।

এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে কর আইনজীবীরা বলেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তি নয়, বরং প্রয়োজন যথাযথ সংস্কার। রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অংশীজন হিসেবে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা মতামত গ্রহণ ছাড়াই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অগণতান্ত্রিক ও দুরভিসন্ধিমূলক।”

তারা আরও বলেন, “জাতি জানতে চায়, কোন স্বার্থে এই খসড়া অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোনো ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান নয় বরং এটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।”

কর আইনজীবীদের মতে, এনবিআরকে বিলুপ্ত না করে বরং আয়কর নীতি বিভাগকে শক্তিশালীকরণ, টেকসই রাজস্বনীতি প্রণয়ন, আইনি সংস্কার, আধুনিকায়ন ও অটোমেশনসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করাই সময়ের দাবি।

তারা অবিলম্বে এই বিতর্কিত অধ্যাদেশ বাতিল করে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।