বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৯ ১৪৩২, ২৩ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

এবারের ভোট হোক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন: প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ ফেইসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব: ব্যাংকে কোটি টাকা, তিন ফ্ল্যাট আশা করি আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফও করে দেবেন: বাণিজ্য উপদেষ্টা সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজে নেওয়া হবে না: ধর্ম উপদেষ্টা কোন এলাকার কী অবস্থা, প্রচার শেষে খোঁজ নিচ্ছেন তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডির ৫ ও স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের সামান্য উন্নতি হাদির পরিবার পেল ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ জন আমি সরে দাঁড়াতে চাই: ঢাবি উপাচার্য নেত্রকোণায় রাতের আঁধারে ৪ ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া যাবে, ব্যবহার নয় গোপন কক্ষে প্রচার পর্ব শেষ, নিরাপত্তার চাদরে দেশ শনিবার পর্যন্ত জনসভা-শোভাযাত্রা-মিছিলে ইসির নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নির্বাচন: আজ রাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

জাতীয়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

 প্রকাশিত: ২১:২৮, ৮ মে ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির প্রস্তাবে আইনজীবীদের তীব্র বিরোধিতা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে এর যথাযথ সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএলএ) এবং ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)। বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটি এই দাবি তুলে ধরে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রধান সংস্থা হিসেবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে ১৬৬ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ থেকে শুরু করে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকায়, যেখানে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১৪ শতাংশ।

তবে সাম্প্রতিক একটি খসড়া অধ্যাদেশে এনবিআর বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশের ধারা ১৩ উপধারা (১) অনুযায়ী, এটি কার্যকর হলে ১৯৭২ সালের ‘প্রেসিডেন্ট’স অর্ডার নম্বর ৭৬’ রহিত হবে এবং এনবিআর বিলুপ্ত হবে।

এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে কর আইনজীবীরা বলেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তি নয়, বরং প্রয়োজন যথাযথ সংস্কার। রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অংশীজন হিসেবে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা মতামত গ্রহণ ছাড়াই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অগণতান্ত্রিক ও দুরভিসন্ধিমূলক।”

তারা আরও বলেন, “জাতি জানতে চায়, কোন স্বার্থে এই খসড়া অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোনো ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান নয় বরং এটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।”

কর আইনজীবীদের মতে, এনবিআরকে বিলুপ্ত না করে বরং আয়কর নীতি বিভাগকে শক্তিশালীকরণ, টেকসই রাজস্বনীতি প্রণয়ন, আইনি সংস্কার, আধুনিকায়ন ও অটোমেশনসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করাই সময়ের দাবি।

তারা অবিলম্বে এই বিতর্কিত অধ্যাদেশ বাতিল করে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।