শনিবার ০২ জুলাই ২০২২, আষাঢ় ১৭ ১৪২৯, ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

জাতীয়

একই কারাগারে থাকলেও দেখা হবে না প্রদীপ-চুমকির

 আপডেট: ১১:০৬, ২৪ মে ২০২২

একই কারাগারে থাকলেও দেখা হবে না প্রদীপ-চুমকির

দীর্ঘ এক বছর ৯ মাস পর স্ত্রী চুমকির  সাথে দেখা পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। গত সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতের এজলাস কক্ষে দেখা হয় তাদের।

এ দিন দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন চুমকি। পরে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

একইদিন এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। শেষদিনে সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন। আগামী ২৯ মে আসামিপক্ষ থেকে তাকে জেরা করার কথা রয়েছে।

প্রদীপের পর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চুমকিও অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। তবে একই কারাগারে থাকলেও তাদের মধ্যে দেখা কিংবা কথা বলার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার দেওয়ান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রদীপ কুমার দাশ ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তাকে কারাগারের ৩২ নম্বর সেলে রাখা হয়েছে। আর চুমকি কারণ থাকবেন কারাগারের নারী ওয়ার্ডে। প্রথম সাত দিন তাকে কারাগারের কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। সেখান থেকে সাত দিন পর নারী ওয়ার্ডে পাঠানো হবে। তবে স্বামী-স্ত্রী দুজনই একই কারাগারে থাকলেও তাদের দেখা কিংবা কথা বলার সুযোগ নেই।

তবে কারো কারো মতে, চট্টগ্রামেই কোথাও লুকিয়ে ছিলেন চুমকি। তবে বিভিন্ন তথ্যমতে- সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে গিয়েছিলেন তিনি। ভারতের আগরতলা, কলকাতার বারাসাত ও গৌহাটিতে রয়েছে প্রদীপ-চুমকি দম্পতির নিজস্ব বাড়ি। লক্ষ্মীকুঞ্জ ফাঁকা করে সেখানেই পাড়ি জমান তিনি।

মন্তব্য করুন: