মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৯ ১৪৩২, ১৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খামেনির পর ইসরায়েলের নিশানায় পেজেশকিয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তরে হামলা বাড়তে পারে ঈদের ছুটি, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা সব জেলায় জিলা স্কুল হবে: শিক্ষামন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধে বাড়ছে তেলের মূল্য বৃদ্ধির শঙ্কা সৌদি আরামকোতে ড্রোন হামলায় ইসরায়েলকে দায়ী করল ইরান, বলল ছদ্মবেশী অভিযান দুদক চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশনের পদত্যাগ নিজেকে এক বছরের জন্য ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস চার দিনে শাহজালাল ও শাহ আমানতে ১৮২ ফ্লাইট বাতিল কণ্ঠশিল্পী আসিফের মদের মামলার রায় ৯ মার্চ স্টারমারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঈদযাত্রা: ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু ফের বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২৭৭৪২৮ টাকা ইরানের সরাসরি হামলায় কুয়েতে ৬ মার্কিন সেনা নিহত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: রিয়াদের ঘটনায় ‘খুব শিগগির` জবাব দেওয়া হবে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা এটি অনন্ত যুদ্ধ নয় বরং শান্তির প্রবেশদ্বার: নেতানিয়াহু

ইসলাম

ইফতার-সাহরিতে অসহায় প্রতিবেশীর খোঁজ রাখুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ

 প্রকাশিত: ১৭:৪৪, ৩ মার্চ ২০২৬

ইফতার-সাহরিতে অসহায় প্রতিবেশীর খোঁজ রাখুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ

পবিত্র রমজান মাসে নিজের ইফতারের পাশাপাশি প্রতিবেশী ও অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বিত্তবানদের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের ইফতার ও সাহরির দায়িত্ব নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা যারা সামর্থ্যবান, প্রতিদিন হরেক রকমের মজাদার ইফতার করছি। কিন্তু ঘরের পাশের দরিদ্র মানুষটার খোঁজ কি একবারও নিয়েছি? দরিদ্র মানুষকে ইফতার করানো রমাদানের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটা শুধু ইবাদতই নয়, এটা আত্মপ্রশান্তিরও কারণ। তাই, এই রমাদানে প্রতিবেশীর ঘরে ইফতার কিনে পাঠাতে পারি।’

সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ধরুন, আপনার এলাকার বস্তিতে একজন রিকশাচালক থাকেন। রমাদানে তিনি পরিবার নিয়ে সীমাহীন দুশ্চিন্তায় আছেন। তার ছোট ছোট সন্তানেরা মজাদার ইফতার খাওয়ার বায়না ধরেছে। কিন্তু কয়েক পদের ইফতার কেনার সামর্থ্য রিকশাচালক ভাইটির নেই। সন্তানদের সামনে তিনি পরাজিত মুখ করে মন খারাপ করে বসে আছেন। এমন সময় আপনি ব্যাগ ভরতি ইফতার নিয়ে তার বাড়িতে উপস্থিত হলেন। কল্পনা করুন, ঠিক সেই মুহূর্তে ওই বাড়িটির অবস্থা কেমন হবে! আপনার এক ব্যাগ বাজারের মাধ্যমে ওই বাড়িতে সুখের জান্নাত রচিত হবে।’

ইফতারের পাশাপাশি সাহরির গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার আমরা অনেকেই দরিদ্রদেরকে ইফতার কিনে দিই; কিন্তু সাহরির খবর রাখি না। অথচ রোজার শক্তি সঞ্চয়ের জন্য পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ সাহরিও জরুরি। যখন বাজারে যাবেন, শুধু দরদামে ব্যস্ত না থেকে আশপাশে একটু চোখ রাখুন। দুর্মূল্যের কারণে হঠাৎ গরিব হয়ে যাওয়া অনেক সম্ভ্রান্ত মানুষ পেয়ে যাবেন, একটা মাছের দিকে তারা করুণ চোখে চেয়ে আছে। তাদের সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই। সম্ভব হলে বিনয়াবত মুচকি হেসে তার মাছটা কিনে দিন। এতে আপনার কিছু পয়সা খরচ হবে বটে, কিন্তু অপার্থিব এক মানসিক প্রশান্তিতে ভরে উঠবে আপনার বুক।’

পরিশেষে মানবতার সেবায় আত্মতৃপ্তির কথা উল্লেখ করে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘নিজের খাবারের একাংশ অনাহারীর মুখে বিলিয়ে দেয়ার মাঝে যে অপার্থিব সুখ, সেই সুখ বন্ধ দরজায় একলা ভোগের মাধ্যমে কখনোই অর্জিত হয় না। আপনার সহযোগিতায় যদি কষ্টে থাকা রোযাদারের মুখে হাসি ফোটে, আশা করা যায় মহান আল্লাহও আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। কারণ হাদিসে এসেছে- যে ব্যক্তি কোনো দুস্থের অভাব দূর করবে, মহান আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দুরবস্থা দূর করবেন।’