ব্রেকিং:
মুম্বাইয়ে শপিংমলে ভয়াবহ আগুন, ৩৫০০ মানুষকে স্থানান্তর সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন ২ শতাধিক পর্যটক আফগানিস্তানে মসজিদে বিমান হামলা, ১১ মাদ্রাসার শিশু শহীদ লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী নৌকাডুবি, নিহত ১৫ অক্সফোর্ডের করোনা টিকায় স্বেচ্ছাসেবকের মৃত্যু

শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৮ ১৪২৭,   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন গ্রেপ্তার জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র সীমাবদ্ধ রাখতে সম্মত রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
১৬৬

জিনজিয়াংয়ে ১৬ হাজার মসজিদ ভেঙে ফেলেছে চীন সরকার

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০  

এএসপিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন সরকার ২০১৭ সাল থেকে জিনজিয়াংয়ে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ সম্পূর্ণ ও আংশিকভাবে ভেঙে ফেলেছে।

২০১৭ সাল থেকে চীনের সুদূর পশ্চিমাঞ্চলে উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল যা জিনজিয়াং হিসেবে পরিচিত, সেখানে লাখ লাখ উইগুর এবং অন্যান্য তুর্কি ও মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিচারবহির্ভূতভাবে আটক করে রেখেছে চীন সরকার। অঞ্চলটিতে উইগুর মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক স্থাপনার পাশাপাশি মসজিদগুলি ভেঙে ফেলার বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

২০১৭ সালের পর থেকে জিনজিয়াংয়ের আটক ব্যবস্থাপনার নির্ভরযোগ্য ডেটা খুব দুর্লভ হয়ে পড়ে। তবে এএসপিআইয়ের আন্তর্জাতিক সাইবার পলিসি সেন্টারের গবেষকরা জিনজিয়াংয়ে ৩৮০টি ডিটেনশন সেন্টার শনাক্ত করেছেন এবং সেগুলো ম্যাপ তৈরি করে বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন। এটিই এখন জিনজিয়াংয়ের আটক ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বাধিক বিস্তৃত তথ্যে পরিণত হয়েছে।

এএসপিআইয়ের নতুন ডাটাবেসটি ‘পুনঃশিক্ষা’ শিবির, ডিটেনশন সেন্টার ও কারাগারগুলির বিষয়ে গবেষণায় জানিয়েছে যে, সেগুলো ২০১৩ সাল থেকে নতুনভাবে নির্মিত বা প্রসারিত হয়েছে। এএসপিআইয়ের আন্তর্জাতিক সাইবার পলিসি সেন্টারের গবেষকরা জিনজিয়াংয়ের আটককেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগের তথ্য উপস্থাপন করতে বর্তমানে সক্ষম।

এই গবেষণার অনুসন্ধানগুলি চীনা কর্মকর্তাদের দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। তাদের দাবি পুনঃশিক্ষা শিবিরে থাকা ব্যক্তিরা ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সেখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে। কিন্তু স্যাটেলাইট চিত্রের তথ্য প্রমাণ করে আটক স্থাপনাগুলি সদ্য নির্মিত যা ২০১৯ এবং ২০২০ সাল জুড়ে নির্মিত হয়েছে।

গবেষণার দ্বিতীয় অংশটি জিনজিয়াংয়ের সাংস্কৃতিক স্থাপনার ধ্বংসের হার তদন্তকারী একটি প্রকল্প। এই গবেষণায় বলা হয়, অঞ্চলটিতে ৩৫ শতাংশ মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং আরও ৩০ শতাংশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণত গম্বুজ, মিনার এবং মসজিদের গেট যেখানে ইসলামিক বা আরব স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে। গবেষকদের ধারণা জিনজিয়াং জুড়ে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে, যা মোট মসজিদের ৬৫ শতাংশ। ধ্বংস হওয়া স্থাপনাগুলি পরিত্যক্ত স্থান হিসেবে পড়ে রয়েছে।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর