শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২, ২৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার নির্দেশ মোজতবা খামেনির উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে ৬ বছর পর আবার ট্রেন চালু ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের, আহত ২ দুবাইয়ের কেন্দ্রে বিস্ফোরণ, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী বাগেরহাটের রামপালে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২ ইরান যুদ্ধের প্রথম ৬ দিনেই খরচ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার ইরানের ভেতরে বাস্তুচ্যুত ৩২ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ ‘জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’: সংসদের ভাষণে আর যা যা বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল: রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে সংসদে বিরোধীদের ওয়াকআউট আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না: স্পিকারকে শফিকুর ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে এই সংসদকে মুক্ত করেছিলাম: নাহিদ যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান যাত্রা করল ত্রয়োদশ সংসদ কয়েক হাত দূর থেকে গুলি, প্রাণে বেঁচে গেলেন জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ তেল-গ্যাস নয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ভয় খাবার পানি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই ইরানের : ক্রীড়ামন্ত্রী

ইসলাম

জানাযা কাঁধে নেওয়ার পর উচ্চস্বরে শাহাদাতাইন পড়ার হুকুম কী?

 প্রকাশিত: ১৭:১০, ২৬ অক্টোবর ২০২২

জানাযা কাঁধে নেওয়ার পর উচ্চস্বরে শাহাদাতাইন পড়ার হুকুম কী?

১২৬৫: প্রশ্ন
জানাযা কাঁধে নেওয়ার পর উচ্চস্বরে শাহাদাতাইন পড়ার হুকুম কী? সাহাবা-তাবেয়ীন থেকে এ ধরনের কোনো আমল প্রমাণিত আছে কি না?

উত্তর:
জানাযা কাঁধে নেওয়ার পর কালেমায়ে শাহাদাত, কুরআন তিলাওয়াত বা অন্য কোনো যিকির শব্দ করে পড়া নিষেধ। এ সময় সাহাবা-তাবেয়ীনের আমল ছিল চুপ থেকে মৃত্যু ও কবরের পরিণতি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। ইবনে জুরাইজ রহ. বলেন- ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাযার সাথে চলতেন তখন অনেক বেশি চুপ থাকতেন এবং চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। (মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, ৩/৪৫৩)

তাই এ সময় কোনো কিছু পড়ার চেয়ে কবরের চিন্তা করা এবং চুপ থাকাই শ্রেয়। তবে কেউ যিকির বা কালেমায়ে শাহাদাত পড়তে চাইলে নিম্নস্বরে পড়তে পারবে।

-সুনানে আবি দাউদ ২/৯৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬২; ফাতহুল কাদীর ২/৯৬; রদ্দুল মুহতার ৩/১৮৩