রমজানে মহানবী (সা.) বেশি বেশি দান করতেন
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। রমজানে তিনি আরো বেশি দানশীল হতেন, যখন জিবরাইল (আ.) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাদ করতেন। আর রমজানের প্রতি রাতেই জিবরাইল (আ.) তাঁর সাথে সাক্ষাত করতেন এবং তাঁরা পরস্পর কোরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ (সা.) রহমতের বাতাস থেকেও অধিক দানশীল ছিলেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৪)
শিক্ষা
উল্লিখিত হাদিসের ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেন,
১. মানুষের ভেতর সবচেয়ে দানশীল ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। রমজানে তাঁর দানশীলতার পরিমাণ সাধারণ সীমা অতিক্রম করে যেত।
২. প্রবাহিত বাতাসের মতো তাঁর দান দ্বারা সর্বশ্রেণির মানুষ উপকৃত হতো।
৩. রমজানে মহানবী (সা.)-এর বাহ্যিক দান যেমন বৃদ্ধি পেত, তেমন দ্বিনি ও আত্মিক দানও বৃদ্ধি পেত। তা হলো নববী শিক্ষার বিস্তার, মানবজাতির জন্য আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনা ইত্যাদি।
৪. আত্মিক উন্নয়নের জন্য নেককার মানুষের সঙ্গে সংস্পর্শে আসা জরুরি।
৫. রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো কোরআন তিলাওয়াত করা। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)