বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৩ ১৪৩২, ১৭ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মবিরতি দুদিন স্থগিত শফিক রেহমান-ববিতাসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল রোজায় অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে ২ শিশুসহ এক পরিবারের ৪ জনের লাশ পোস্টাল ভোটের ফল আগেভাগে জানার সুযোগ নেই: ইসি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা শুক্রবার এরদোয়ান-সিসি বৈঠক : অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর জুলাই হত্যা: আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোয় শাহবাজ শরীফকে আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ আন্দোলনের সঙ্গীরাই এখন আমার ওপর মিসাইল ছুড়ছে: জামায়াত আমির তিন লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে আধিপত্য বিস্তার: সিলেটে মহাসড়ক আটকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ অনিশ্চয়তা কাটল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘বৈঠক হচ্ছেই’, আলোচ্যসূচিতে মতভেদ আর্টেমিস ২: চাঁদে মানুষের যাত্রা পিছিয়ে গেল মার্চে বাংলাদেশের অটল অবস্থান ভালো লেগেছে নাসের হুসেইনের

রাজনীতি

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

 প্রকাশিত: ১১:২২, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

আজ রোববার রাজধানীর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য  দিন ধার্য রয়েছে।

জানা যায় ,ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করবেন।
তবেএর আগে, গত ২৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।

এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলায় শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর এসআই শেখর চন্দ্র মল্লিক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছেন মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। ঐ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডাস কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করেন।

অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।