বুধবার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৪ ১৪৩২, ১৮ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

অসত্য সংবাদ প্রকাশে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে: সুপ্রিম কোর্ট চুয়াডাঙ্গায় হিমশীতল বাতাসে কাহিল জনজীবন, তাপমাত্রা ৭.৫ ‘সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পির পরিকল্পনায়’ হাদিকে হত্যা, অভিযোগপত্রে আসামি ১৭ এলপিজির ঘাটতি নেই, কারসাজি আছে: উপদেষ্টা আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ বাদ: প্রতিক্রিয়া নিউটনের সূত্রের মত হয়েছে, বললেন অর্থ উপদেষ্টা নরসিংদীতে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা ব্রুকলিনের কুখ্যাত এমডিসি কারাগারে বন্দি মাদুরো দম্পতি আজ প্যারিসে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে মিত্রদের বৈঠক মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত, তবু সেনাবাহিনী অনুগত: নির্বাসিত কর্মকর্তারা রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, ১০ জেলায় শৈতপ্রবাহ পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ৮.৬ ডিগ্রিতে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’: লন্ডনে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন আদালতে মাদুরো বললেন—আমি সৎ মানুষ, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ

রাজনীতি

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

 প্রকাশিত: ১১:২২, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

আজ রোববার রাজধানীর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য  দিন ধার্য রয়েছে।

জানা যায় ,ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করবেন।
তবেএর আগে, গত ২৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।

এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলায় শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর এসআই শেখর চন্দ্র মল্লিক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছেন মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। ঐ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডাস কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করেন।

অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।