রোববার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৯ ১৪৩২, ১৩ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বোমা ও বন্দুক হামলা, নিহত ১৯৩ যোগ্যতার ভিত্তিতে নারীরা দেশ গড়ার কাজ পাবেন: জামায়াত আমির সহিংসতার কারণ দলগুলোর ‘নিজেদের ভেতরের সমস্যা’, দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কয়েকজন উপদেষ্টা ‘কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার’ করেছেন নারীর ‘পরিচালক’ পুরুষ, তাই শীর্ষ পদ ‘মুখ্য নয়’ জামায়াতের নারীদের কাছে শান্তি কমিটির কথা ‘আজগুবি’: জামায়াতে ইসলামী আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ট্রাইব্যুনালে রায় ৫ ফেব্রুয়ারি এবার খুলনা ও যশোরে যাচ্ছেন তারেক রহমান ‘ভোট দিতে ভয় পাবেন না, আমরা পাশে আছি’: হিন্দুদের উদ্দেশে ফখরুল দুদকের ডাকে সাড়া দেননি উত্তর সিটির এজাজ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বাহাউদ্দিন নাছিমের ৩৩ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ‘গলা চেপে ধরার’ হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের, দমবন্ধ অবস্থায় কিউবানরা চট্টগ্রাম বন্দরে রোববারও চলছে কর্মবিরতি, অচলাবস্থা প্রার্থিতা: নিরাশ হলেন মুন্সী ও গফুর, ভোট করতে পারবেন মোবাশ্বের অন্য হাজতির পরিচয়ে কারামুক্ত হয়ে পালালেন হত্যা মামলার আসামি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো রাফা সীমান্ত ক্রসিং খুলল ইসরায়েল কারিগরি ত্রুটির’ কারণে ইউক্রেনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় আমরা মুক্ত!’: নতুন ভোরের ইঙ্গিত দেখছে ভেনেজুয়েলাবাসী

রাজনীতি

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

 প্রকাশিত: ১১:২২, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজ জি কে শামীমের মামলার রায়

আজ রোববার রাজধানীর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য  দিন ধার্য রয়েছে।

জানা যায় ,ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করবেন।
তবেএর আগে, গত ২৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।

এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলায় শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর এসআই শেখর চন্দ্র মল্লিক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছেন মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। ঐ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডাস কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করেন।

অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।