সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২০ ১৪৩২, ১৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

একাত্তরে তাদের কারণে মা-বোনদের সম্মান গেছে, এখনো দরদ নেই: তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার বাইরে গিয়েও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক এগোতে পারে: ফখরুল আরও বাড়ল এলপিজির দাম ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ এরা মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদীরা দেশ চালাতে পারে না: তারেক রহমান আমুর ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ববি ও রূপন্তীর প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা-টিউলিপের সঙ্গে এবার ববি ও রূপন্তীর সাজা ‘এনসিটি’ নিয়ে আন্দোলন: তৃতীয় দিনে ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার যাচ্ছে জেলায় জেলায় লক্ষ্মীপুর-৪: বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩৮ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টি বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ

লাইফস্টাইল

বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা যেসব বিষয় নিয়ে তর্ক করে না

 প্রকাশিত: ১৭:২৭, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা যেসব বিষয় নিয়ে তর্ক করে না

আজকের সমাজে কথার লড়াই যেন রোজকার চিত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন—তর্ক যেন সব জায়গায় উপস্থিত। তবে মনীষীরা বলেন, “প্রতিটি তর্কে অংশ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।” বরং সত্যিকার বুদ্ধিমান ও প্রজ্ঞাবান মানুষ নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে কখনোই তর্কে জড়ান না। ইসলামি জ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এমন কিছু বিষয়ের কথা জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা—যেগুলো নিয়ে তর্ক না করাই উত্তম।

অজ্ঞ লোকের সাথে তর্কে লাভ নেই: ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেন, “অজ্ঞদের সাথে তর্ক করো না, কারণ মানুষ বুঝবে তুমিও তার মতো।”যুক্তিহীন মানুষ যখন তর্কে নামে, তখন সত্যের পক্ষে যুক্তি দিয়েও ফল পাওয়া যায় না।

ধর্মীয় খুঁটিনাটি বিষয়ে বিতর্ক: তারাবির রাকাআত, ঈদের তাকবির, ফাতিহা না পড়লে নামাজ হয় কি না—এসব বিতর্কিত বিষয় নিয়ে বুদ্ধিমানরা তর্কে যান না। তারা আলেমদের নির্দেশনা মেনে চলেন ।

অতীতের ভুলচুক নিয়ে তর্ক: কে কবে কী করেছিল, কে কাকে দোষারোপ করেছিল—এসব নিয়ে তর্ক করে সময় নষ্ট করা বোকামি। বুদ্ধিমানরা অতীত থেকে শিক্ষা নেন, কিন্তু তর্কে যান না।

রুচির বিষয় নিয়ে বিতর্ক নিষ্প্রয়োজন: খাবার, পোশাক, গান, সংস্কৃতি—এসব নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা অপ্রয়োজনীয়। কারও রুচি বা ব্যক্তিগত পছন্দকে সম্মান করাই শ্রেয়।

মহান লক্ষ্য যাদের, তারা তুচ্ছ বিষয়ে নীরব: যারা আখেরাত ও বড় লক্ষ্যের দিকে নজর রাখেন, তারা তুচ্ছ বিষয়ে কথা কাটাকাটি করেন না। ইসলামি শিষ্টাচারও এটাই শিক্ষা দেয়।

তর্ক সবসময় জ্ঞান বাড়ায় না। বরং অহংকার, ভুল বোঝাবুঝি ও হিংসার জন্ম দেয়। বুদ্ধিমানরা জানেন, কখন নীরব থাকাই সর্বোত্তম। তারা আত্মসংযমের মাধ্যমে সামাজিক শিষ্টাচার বজায় রাখেন এবং নিজেকে প্রমাণ করেন আচরণে—not by argument, but by conduct.